ঢাকাThursday , 17 October 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

শিবির নেতা শাওনকে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 17 October 2019, 21:52

ডেস্ক রিপোর্ট: কলারোয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে মিথ্যা মানববন্ধন করার প্রতিবাদে এবং পুলিশের তদন্তকে মিথ্যা বলে প্রচার দেয়া শিবির নেতা শাওনকে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, কলারোয়া উপজেলার বাকসা তাঁতিপাড়া গ্রামের মৃত দরুদ আলী মোড়লের ছেলে আবুহার মোড়ল। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, বোয়ালিয়া মুক্তিযোদ্ধা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আমার কন্যা লিপি খাতুন কলেজে যাওয়া আসার পথে পাঁচপোতা গ্রামের আলতাফ ও আসিফ প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করাসহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এছাড়া কলেজের অফিস সহকারী শফিকুলের সহযোগিতায় কলেজের সীমানার মধ্যেও তারা তাকে বিরক্ত করতো। আমার কন্যা বিষয়টি আমাকে জানালে আমি কলেজ কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবগত করলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেননি। এছাড়া আমার স্ত্রী তাদেরকে এ ধরনের কাজ করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাতে গেলে তারা তাকে তাড়িয়ে দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এক পর্যায়ে গত ২ অক্টোবর সকালে আমার কন্যা কলেজে যাওয়ার পথে বোয়ালিয়া ঋষিপাড়া নামকস্থানে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা আসিফ ও আলতাফ আমার কন্যাকে ঘিরে ধরে শরীরের কাপড় চোপড় টানা হেঁচড়া করে এবং তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আমার কন্যার ডাক চিৎকারে দুই পথচারী এগিয়ে আসলে তারা আমার কন্যাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যাওয়ার সময় ধর্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষয়-ক্ষতি করার হুমকি প্রদর্শন করে। এ ঘটনায় আমার কন্যা বাড়ি ফিরে লজ্জায় অপমানে বাড়ির সকলের অগোচরে বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে দ্রæত তাকে কলারোয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। এরপর এ ঘটনায় আমি কলারোয়া থানায় উক্ত ৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করি। কলারোয়া থানা পুলিশ সরেজমিনে তদন্তপূর্বক মামলাটি রেকর্ড করে আদালতে প্রেরণ করেন। এছাড়া আমার কন্যা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিও প্রদান করেছেন। উক্ত মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে। অথচ মামলা রেকর্ড হওয়ার পরও কলেজ অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আমার কন্যাকে কোন খোঁজ খবর না নিয়ে উপরোন্ত তারা মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। কিন্তু আমি রাজি না হওয়ায় উল্লিখিত ব্যক্তিরা মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে শিবির ক্যাডার শাওনকে দিয়ে গত ১৪ অক্টোবর একটি মিথ্যা মানববন্ধন করায়। সেখানে শাওন আমার দায়ের করা মামলাটি মিথ্যা ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে। অথচ পুলিশ তদন্ত করেই মামলাটি রেকর্ড করেছেন। তিনি আরও বলেন, শাওনের মতো কুচক্রী সন্ত্রাসীদের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমার কন্যার মত শত শত কন্যা যৌন হয়রানি ও এসিড নিক্ষেপের শিকার হচ্ছে। অনেকে মারাও যাচ্ছে। তাই আমি চাই আসিফ, আলতাফ ও শাওনের কারণে আমার কন্যার মত পরিণতি যেন আর কারো না হয়। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় তাদের বিরুদ্ধে দ্রæত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *