ঢাকাTuesday , 15 October 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরায় নিজ স্ত্রীসহ দুই নারীকে ভারতে পাচার: স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

admin ঢাকা
আপডেট: 15 October 2019, 22:52

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় নিজ স্ত্রীসহ দুই নারীকে ভারতে পাচারের অভিযোগে স্বামী পঙ্কজ বিশ্বাসকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হোসনে আরা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামি পঙ্কজ বিশ্বাস যশোরের চাঁচড়া রুপদিয়া এলাকার আনন্দ বিশ্বাসের ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামি পঙ্কজ বিশ্বাস শ্যামনগর উপজেলার গোদাড়া গ্রামে রাজমিস্ত্রি কাজ করার সুবাদে ওই গ্রামের আব্দুল খালেক গাজীর মেয়ে রহিমা খাতুনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর পঙ্কজ মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে রহিমাকে বিয়ে করার পর সেখানে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস শুরু করে। এক পর্যায়ে সে ২০০৮ সালের ৪ মার্চ তার স্ত্রী রহিমা ও তার চাচাতো বোন হাবিবুল্লাহ গাজীর মেয়ে নার্গিস পারভীনকে তার গ্রাম যশোরে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাদের ভারতে পাচার করে। অনেক খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রহিমার বাবা খালেক গাজী বাদী হয়ে আসামি পঙ্কজ বিশ্বাসসহ ৬ জনের নামে ২০০৮ সালের ১৪ মার্চ শ্যামনগর থানায় একটি পাচার মামলা দায়ের করেন। এরপর দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ২৯ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আরিফ ১৩ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মঙ্গলবার এ মামলায় ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও নথি পর্যালোচনা করে আসামি পঙ্কজ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদন্ড’র আদেশ দেন। তবে, এ মামলায় অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস প্রদান করেন। সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ রায়ের সময় আসামিরা পলাতক ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *