ঢাকাSaturday , 5 October 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কলারোয়ায় ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল আর লোডশেডিংয়ে জন-ভোগান্তি চরমে

admin ঢাকা
আপডেট: 5 October 2019, 22:12

কলারোয়া প্রতিনিধি: পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল আর ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে কলারোয়ার জনসাধারণের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। গত কয়েক মাস যাবৎ ব্যবহারের মাত্রা একই থাকলেও ক্রমাগত ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে বিদ্যুৎ বিলের টাকার পরিমাণ। এক্ষেত্রে অনভিজ্ঞ অমনোযোগী লোকবল দিয়ে মিটার রিডিং সংগ্রহ, সঠিক তথ্য নথিভুক্ত না করা সহ সংশ্লিষ্ট বিষয় সমূহকে দুষছেন স্থানীয় জনসাধারণ। বিদ্যুৎ বিলের মেমো হাতে পৌঁছানো মাত্র তা পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। বিদ্যুৎ বিলের ব্যাপারে অভিযোগ করাও যথারীতি দু:সাধ্য ব্যাপার। কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, গত জুন মাসে আমার বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১শ’ ৫৬ টাকা। বর্তমানে সেই একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আমার সেপ্টেম্বর মাসের বিল এসেছে ১ হাজার টাকার বেশি। এভাবেই ক্রমান্বয়ে বাড়ছে বিদ্যুৎ বিল। যেখানে দেখা গেছে বিদ্যুতের মূল্য এর মধ্যে বাড়েনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার সংকরপুর এলাকার পল্লী বিদ্যুতের এক গ্রাহক বলেন, পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা মিটার রিডিং ইউনিট ও টাকার পরিমাণ সব কিছু ইচ্ছাধীন ভাবে করছে। তা না হলে এমন হওয়ার কথা না। মিটারের রিডিং নিতে আসা পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীকে বিল বেশি হচ্ছে কেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, মিটারে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ছিল, তাই তিনি চলতি বিলের সাথে সেটি যুক্ত করে দিচ্ছেন। ভুক্তভোগীরা বলছেন, পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং দৈর্ঘ্যরে মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। কোনো কারণ ছাড়াই ঘন্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না উপজেলার বেশিরভাগ অঞ্চলে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুতের লোডশেডিং কোন নিয়মে পড়ে তা জানা নেই পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের। দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তি হচ্ছে জনসাধারণের, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, বাড়ছে রাতের আধারে অপরাধমূলক কর্মকান্ড। এ বিষয়ে কলারোয়া বাজারের ব্যবসায়ী আমিনুর রহমান জানান, বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ করার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কলারোয়া অফিসে যোগাযোগ হলে তাদের গুরুত্বহীনতার কারণে আর কোন অভিযোগ করতে মন চায় না। এ ব্যাপারে কলারোয়া পল্লী বিদ্যুতের এজিএম মো. আবুবকর সিদ্দিক বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ বিল বেশি হওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। এমন কিছু হলে অবশ্যই আমি ব্যবস্থা নেবো। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক মো. সাইফুল্লা আজাদ বলেন, বিদ্যুৎ বিলের কপি ও মিটার আরও একবার দেখুন। আর কোনো সমস্যা হলে আমাদের অফিসে যোগাযোগ করেন। তবে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ে কিছু বলতে রাজি নয় কর্তৃপক্ষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *