ঢাকাTuesday , 1 October 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কলারোয়ার খোরদো মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 1 October 2019, 21:28

ডেস্ক রিপোর্ট: কলারোয়া উপজেলার খোরদো মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ, শচীন বিশ্বাসের উপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও চাঁদাবাজির মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টার প্রতিবাদে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (০১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে খোরদো মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লি. এর সভাপতি বাবুল বিশ্বাস। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি খোরদো মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লি. এর বর্তমান সভাপতি। চলতি বছরের ১৩ মে থেকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে দলুইপুরের ১৩৫.৪৫ একর বাঁওড়ে মাছ চাষ করার জন্য খাস কালেকশনের অনুমতি পাই। সে অনুযায়ী আমি ও সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শচীন চন্দ্র বিশ্বাস নিজ খরচে মাছ ছেড়ে, ট্যোং বানিয়ে বাঁওড়ের মাছ চাষ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলাম। ওই বাঁওড়ে যাতে আমরা মাছ ধরতে না পারি সেজন্য স্থানীয় খোরদো ইউনিয়ন আ’লীগ সেক্রেটারি পাকুড়িয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে কলারোয়া উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দলুইপুর গ্রামের সেলিনা আনোয়ারুল ময়না, তার ছেলে জয়সহ একই গ্রামের রিপন, কুদ্দুসসহ একটি স্বার্থান্বেষী মহল চাঁদা দাবিসহ দীর্ঘদিন ধরে বাঁওড় দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। ২০০৮ সালে খোরদো ইউপি’র চেয়ারম্যান ও আ’লীগ নেতা আনোয়ারুল ইসলাম, তার স্ত্রী সেলিনা আনোয়ারুল ময়না ও আ’লীগ নেতা আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে বাঁওড়ের ৫০ লক্ষাধিক টাকার মাছ লুট করা হয়। লুট-পাটে সহায়ক ভূমিকা পালন করেন নিত্যজিৎ সরকার। সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয়, চক্রটি তার কাছে ও সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শচীন বিশ্বাসের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দিলে তাদের ঘের করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রতিকার চেয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক বরাবর এক লিখিত অভিযোগ করেন। এ খবর জানতে পেরে উপরোক্ত সন্ত্রাসীরা ওইদিন রাত সাতটার দিকে শচীন বিশ্বাস তার বাড়ির সামনে মাসুমের চায়ের দোকানে বসে থাকাকালীন শচীন দাদার কাছে পূর্বের দাবিকৃত চাঁদার টাকা চায়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে আব্দুল মান্নান, জয়, রিপন, কুদ্দুছ, ময়না খাতুনসহ কয়েকজন লোহার রড নিয়ে শচীন বিশ্বাসকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে ডান পায়ের হাঁটুর মালাইচাকি ভেঙে দেয়। বর্তমানে শচীন বিশ্বাস সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় ১৬ সেপ্টেম্বর শচীন বিশ্বাসের মেয়ে বিপ্রতি বিশ্বাস বাদী হয়ে থানায় আব্দুল মান্নান, সেলিনাসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই দিন বিকেলে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ সেলিনা ও নিত্যজিৎ সরকারকে গ্রেপ্তার করে। ১৮ সেপ্টেম্বর নিত্যজিৎ সরকার আসামিদের বাঁচাতে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করে। ওই দিন তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও প্রশাসনসহ সমিতির সদস্যদের অবহিত করে বাঁওড়ে কিছু মাছ ধরেন। ২৯ সেপ্টেম্বর জেল থেকে বের হয়ে রাতে কলারোয়া থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে উভয় পক্ষকে নিয়ে থানায় বসা-বসি হয়। সেখানে তারা তাদের কাগজপত্রের মাধ্যমে বাঁওড়ে মাছ চাষ ও মাছ ধরার বৈধতা সম্পর্কে অবহিত করতে সমর্থ হন। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাগজপত্র বহির্ভূতদের বাঁওড়ে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করলে সেলিনা ও তার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়। এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে মঙ্গলবার দৈনিক পত্রদূত, কাফেলা ও সাতনদী পত্রিকায় আমি পুলিশ ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের নিয়ে বাঁওড়ের মাছ লুট-পাট করেছি, নাশকতা ও মাদক মামলার আসামি, পুলিশ সমিতির সদস্যদের মধ্যে যারা মাছ লুটের প্রতিবাদ করেছে তাদেরকে ধরে নিয়ে ক্রসফায়ারে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে মর্মে অসত্য ও মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায়। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা যাতে সরকারিভাবে ইজারা নেওয়া মৎস্যজীবী সমিতির বাঁওড় দখল ও লুট-পাট না করতে পারে তার বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ, শচীন বিশ্বাসের উপর হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের জন্য খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। একই সাথে মঙ্গলবার স্থানীয় তিনটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *