কালিগঞ্জের চাম্পাফুল ইউপি’তে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে নতুন জামা-কাপড়ের দোকান
বাপ্পী সরকার, চাম্পাফুল (কালিগঞ্জ) প্রতিনিধি: কয়েক দিন পরেই মহা খুশির দুর্গা পূজা। পূজার দিনে সকলে নতুন পোশাক পরে পূজা মন্ডপে মন্ডপে যান। ফলে সববয়সী মানুষের নতুন পোশাক চান। দুর্গা পূজাকে ঘিরে সনাতন পরিবারের উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত পরিবারের অভিভাবকদের বাড়তি প্রস্তুতি থাকে নতুন পোশাক কেনাকাটায়। এ কারনে মহাদুর্গা পূজার খুশির দিনটি যত এগিয়ে আসছে শহর ও গ্রাম এলাকার পোশাকের দোকানগুলোতে বাড়ছে সব বয়সী ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। বর্তমানে দিনের বেলা মানুষের নাভিশ্বাস হলেও যেন তার সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে পূজার কেনাকাটা।
মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে চাম্পাফুল কালিবাড়ী ও উজিরপুর বাজারে বিভিন্ন কাপড় বিপনী ঘুরে ক্রেতাদের চরম ভীড় লক্ষ্য করা যায়। শিশু-কিশোররা বড়দের সাথে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বন্যার পানির মত ধেয়ে আসছে পোশাকের দোকান গুলোতে। যে কারনে কাপড়ের দোকানগুলোর সামনে কখনও কখনও বেড়ে যাচ্ছে অপেক্ষমান ক্রেতাদের সংখ্যা। এ অবস্থায় ক্রেতাদের পছন্দের টা বেছে দিতে দোকান মালিক ও কর্মচারীদের হতে হচ্ছে গলদঘর্ম। তারপরও উপায় নেই। তারা মনে করছেন এটা ব্যবসায়ের একটি অংশ।
দেখা যায় নিম্ন আয়ের মানুষগুলো কম বাজেট নিয়ে ঘুরছেন গ্রামের দোকানগুলোতে। গ্রামঞ্চল থেকে আসা বেশির ভাগ নিম্ন আয়ের মানুষই এখানে ভীড় করায় দিনের বেলায় দোকানগুলোর কেনাবেচা থাকছে বেশ জমজমাট। উচ্চ মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা বেশ সময় হাতে করে সন্ধ্যার পর ঢুকছেন বড় বড় শপিংমল ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকের দোকানগুলোতে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী শান্তিরঞ্জন খা জানান, সারা বছর বেচাকেনার চাপ থাকলেও বছরের দুটি ঈদ এবং দুর্গা পূজায় তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েক গুণ বেশি। এখন সাত সকালে দোকান খুলে বন্ধ করতে হচ্ছে মধ্যরাতেরও পরে। এভাবে চলবে পূজার আগের রাত পর্যন্ত। তিনি আরও জানান,অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রি বেশি হচ্ছে। দোকানের কর্মচারীদের সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ডিউটি করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে বিক্রি মোটামুটি ভাল। এবছর বয়স্ক ও ছোটদের পোশাক দেওয়াটা সহজ হলেও তরুণ- তরুণীদের পছন্দের পোশাক মেলাতে একটু বেশি সময় লাগছে।

Leave a Reply