ঢাকাSunday , 29 September 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনিতে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সাত বছরের পুরোনো টাকা ফিরে পেল ধর্মদাশ ও দ্রোণ

admin ঢাকা
আপডেট: 29 September 2019, 22:02

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে গ্রাম আদালতে মামলা করে সাত বছরের পুরোনো টাকা ফিরে পেল ধর্মদাশ মন্ডল ও দ্রোণ সরকার। রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সার্টিফিকেট মামলার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে থেকে তারা টাকা বুঝে পায়। গ্রাম আদালতে মাত্র ২০ টাকা ফি দিয়ে তারা তাদের টাকা বুঝে পেয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, আশাশুনি সদরের কোদন্ডা গ্রামের গোষ্ঠ বিহারী সরকারের স্ত্রী মিনতী রানী সরকার ইউপি সদস্য থাকা কালীন সময়ে প্রায় ৪ বছর আগে সরকারি ঘর দেবে বলে নাটানা গ্রামের ধর্মদাশ মÐলের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ও হাড়িভাঙ্গা গ্রামের দ্রোণ সরকারের কাছ থেকে নগদ ২৮ হাজার টাকা গ্রহণ করে। মিনতী রানী ঘর দিতে ব্যর্থ হলে তারা দুজন তাদের ৫৮ হাজার টাকা ফেরত চায়। মিনতী রানী টাকা ফেরত দিতে বিভিন্ন রকম তাল বাহানা শুরু করে। এরপর কেটে যায় আরও কয়েক মাস। উপায় না দেখে ধর্মদাশ ও দ্রোণ ২০ টাকা ফি দিয়ে আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে বিগত ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ৩২/১৭ নং একটি মামলা দায়ের করেন। ইউপি চেয়ারম্যান স.ম সেলিম রেজা মিলন বিচার কার্য পরিচালনার জন্য ইউপি সদস্য তারিকুল আওয়াল, শাহিনুর আলম, স্থানীয় জগদীশ রায় ও আবু হেনা মোস্তফা কামালকে নিয়োগ দেন। ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর বিচারকদের চুড়ান্ত রায়ে মিনতী রানী তাদের তিন কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করবে বলে রায় ঘোষণা করা হয়। কিন্তু মিনতী গ্রাম আদালতের রায় অমান্য করতে থাকলে বিচারক তাকে চুড়ান্ত নোটিস প্রদান করেন। তার পরেও সে টাকা পরিশোধ না করায় পরের বছর ২৬ জুন তার বিরুদ্ধে ৩/১৮-১৯ নং সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু মিনতী সে মামলার শুনানিতেও হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয় এবং সে মোতাবেক পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর মিনতী চলতি মাসে ২ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তার কাছে পাওয়া ৫৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান স.ম সেলিম রেজা মিলন নির্বাহী কর্মকর্তার থেকে সেই টাকা ফেরত পায়। সে মোতাবেক রোববার সকালে ইউপি চেয়ারম্যান তাদের কাছে ৫৮হাজার টাকা হস্তান্তর করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *