ঢাকাSaturday , 28 September 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সংবাদ সম্মেলনে এক মায়ের অভিযোগ: পারমাছখোলার দুই ভাই হাতিয়ে নিয়েছে টাকা

admin ঢাকা
আপডেট: 28 September 2019, 22:59

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরার তালার সেনেরগাঁতির মোস্তফা মোড়লকে মালয়েশিয়া পাঠানোর নামে সাতক্ষীরা সদরের পারমাছখোলা গ্রামের আল মামুন ও আতাউর হাজরা দুই ভাই হাতিয়ে নিয়েছে দুই লাখ ৩৪ হাজার টাকা। গত ৪ বছর ধরে তারা এই টাকা ফেরত দিচ্ছে না। মোস্তফার মালয়েশিয়া যাওয়াও হচ্ছে না। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন মোস্তফা মোড়লের মা সেনেরগাঁতি গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী রোমেছা খাতুন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, পরিচয়ে তারা তার মামাতো ভাই। তারা মোস্তফার পাসপোর্টটিও আটকে রেখে বলছে সেটি খোয়া গেছে। রোমেছা খাতুন বলেন, ছেলের বেকারত্বের কথা শুনে মামুন আমার সাথে সাক্ষাৎ করে এক লাখ টাকা চায়। বলে ‘বু, টাকা দাও। এই টাকায় মোস্তফাকে আমি মালয়েশিয়া পাঠাব। সরল বিশ্বাসে তার হাতে ৯০ হাজার টাকা ও পাসপোর্ট দেওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, সে কথা মতো কাজ করেনি। তবে মোস্তফাকে ৩/৪ বার ঢাকায় নিয়ে যায় সে। লাভ কিছুই হয়নি। রোমেছা বলেন, এ ঘটনার বেশ কিছুদিন পর মামুনের ভাই আতাউর হাজরা এসে একই কথা বলে। আতাউর বলে ‘মামুন তো তোমার ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে পারল না। আমার কাছে তুমি আড়াই লাখ টাকা দাও। আমি ব্যবস্থা করবই’। রোমেছা বলেন, ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে আবারও জমিজমা বিক্রি করে তার হাতে তুলে দেই দুই লাখ চার হাজার টাকা। পরে জানতে পারলাম আতাউর ওই টাকা নিয়ে নিজে চলে গেছে মালয়েশিয়ায়। আর আমার ছেলে বাড়িতে বেকার পড়ে রইল। তিনি বলেন মামুন ও আতাউর এখন গ্রামে বহুতল ভবন তৈরি করছে। জমিজমা কিনছে। অঢেল টাকার মালিক তারা। রোমেছা আরও বলেন, অনেক তাগাদার পর মামুন দুই কিস্তিতে ৬০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে। এখনও বাকি ৩০ হাজার টাকা। আর পাসপোর্টটি তো হাওয়া করে দিয়েছে। তিনি বলেন, এতো টাকা খুইয়ে বড় অসহায় অবস্থায় পড়েছি। সংবাদ সম্মেলনে রোমেছা তার বৃদ্ধা মা আনোয়ারা খাতুনকে নিয়ে এসেছিলেন। আনোয়ারা বলেন, আমি নিজ হাতে তাদের এই টাকা দিয়েছি। আমি ওদের বিচার চাই’। রোমেছা বলেন আমি এর প্রতিকার চাই। এ বিষয়ে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন রোমেছা ও তার পরিবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *