জি.এম আজিজুল ইসলাম, ফিংড়ী প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা মূল্যের চাল ৩০ কেজির স্থলে ২৭/২৮ কেজি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি চালের ফিংড়ী বাজারের ডিলার গোবিন্দ দাশের বিরুদ্ধে এ সকল অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। ফলে এলাকার হতদরিদ্র সুবিধাভোগী মানুষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ফিংড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা মো. আলামিন রোকন জানান, সকালে ফিংড়ী বাজারে যেয়ে দেখি ডিলার গোবিন্দ দাশ ১০টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাউল বিতরণ করছে। ভেতরে যেয়ে দেখি বস্তা কেটে ২-৩ কেজি চাউল বের করে ২৭/২৮ কেজি চাউল দিচ্ছে। ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের একাধিক সুবিধাভোগী জানান, চালের ডিলার তাদের ৩০ কেজির স্থলে কাউকে ২৭ কেজি আবার কাউকে ২৮ কেজি করে দিয়েছে। অভিযুক্ত ডিলার গোবিন্দ দাশ ওজনে কম দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সাতক্ষীরার গোডাউন থেকে ফিংড়ী ইউনিয়নে এক টন চাল আনতে অনেক টাকা খরচ হয়। যদি ওজনে কম থেকে থাকে তাহলে লেবাররা উঠা-নামা করাতে গিয়ে বস্তা ছিদ্র হয়ে চাল পড়ে যাওয়ায় মাপে কম হতে পারে। বস্তা খুলে চাল বিতরণ করার কারণ জানতে চাইলে ডিলার গোবিন্দ জানান, গুদাম থেকে আনার সময় বস্তা ফেটে যাওয়ার কারণে বস্তার মুখ কেটে চাল বিতরণ করেছি। চাল মাপার মিটার নষ্ট হওয়ার ফলে কিছু লোকের চাল কম গিয়েছে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, হতদরিদ্রের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল কম দেওয়ার কোনো বিধান নেই। বিষয়টি নিয়ে আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
