আলী মুক্তাদা হৃদয়: আশাশুনি উপজেলায় মেয়েকে বিভিন্ন জায়গায় বিয়ে দিয়ে কৌশলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পিতা ও কন্যার বিরুদ্ধে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তীলক মন্ডলের কন্যা নীলিমা রানী মন্ডল, উচ্চ শিক্ষিতা, অভিযোগ আছে নীলিমা তার বাবার আয়ের একমাত্র উৎস। অভিযোগ উঠেছে হাঁসখালী গ্রামের তীলক মন্ডল তার মেয়ে নীলিমাকে বিভিন্ন ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। সে তার মেয়েকে এখনও কুমারী বলে দাবি করেন সর্বত্র। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে নীলিমা পড়ালেখা করতেন খুলনায়। পড়ালেখা করাকালীন খুলনার তারাপদ দে’র ছেলে তাপস কুমার দে’র সাথে নীলিমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর এক বৎসর ছয় মাস ব্যাপী খুলনা শেখপাড়া বাজারের ২নং ইসমাইল ক্রস রোড ফরাজী বাড়িতে ঘর ভাড়া করে সংসার করে তাপস কুমার ও নীলিমা। এসব বিষয় নীলিমার বাবা তীলক মন্ডল জানার পরেও তথ্য গোপন করে মেয়েকে কুমারী বলে তালা উপজেলার মেশারডাংগা গ্রামের উজ্জ্বল কান্তি সরকারের সাথে গত ১৭ এপ্রিল রেজিস্ট্রি বিয়ে দেন। বিয়ের সময় নীলিমা রানীও নিজেকে কুমারী বলে দাবি করেন। রেজিস্ট্রি বিয়ের কিছুদিন পর নীলিমা ও তাপসের বিয়ের বিষটা ১ম স্বামী তাপস কুমার ২য় স্বামী উজ্জ্বল কুমারকে জানায়। তখন উজ্জ্বল কুমার প্রমাণ দেখতে চাইলে শাঁখা সিঁদুর পরা/হানিমুনের ও বিশেষ বিশেষ মুহ‚র্তের ছবি এবং যে ভাড়া বাসায় তাপস ও নীলিমা সংসার করেন তার কিছু কাগজজাদি পাঠিয়ে দেয়। এ বিষয়ে উজ্জ্বল কুমার জানান, মেয়ের বাবা মেয়ের আগের বিয়ের খবর গোপন রেখে আমার সাথে রেজিস্ট্রি বিবাহ দেন। নীলিমার আগের বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে এখন নীলিমার বাবা আমার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এসব বিষয় মেয়ের বাবা তীলক মন্ডল জানান, আমার মেয়ে আগে কোথায় কি করেছে আমার জানা নেই। আমার মেয়ে এখনও কুমারী। এ বিষয় নীলিমার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি খুলনায় থাকা কালীন তাপসের সাথে সু-সম্পর্ক থাকায় কিছু বিশেষ মুহুর্তের ছবি তার কাছে রয়ে যায়। বর্তমানে আমি উজ্জ্বল কুমারের সাথে ঘর সংসার করিতেছি। বনিবনা না হলে উজ্জ্বল এর সাথে সংসার করব না, কারণ সে আমার অতীত নিয়ে ঘাটাঘাটি করছে।
