ঢাকাTuesday , 17 September 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরা বড় বাজার সড়কে কাপড়ের দোকান দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 17 September 2019, 22:50

ডেস্ক রিপোর্ট: ফিল্মি স্টাইলে সাতক্ষীরা বড় বাজার সড়কের রাজ এন্টারপ্রাইজ নামক দোকানের তালা কেটে দোকান ঘর দখল, চেক বই, বাকি খাতা, নগদ আড়াই লক্ষ টাকা লুটপাট করেছে সন্ত্রাসীর। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক প্রশাসনের কাছে প্রতিকার চেয়ে মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দোকান মালিক সদর উপজেলার মিয়া সাহেবেরডাঙ্গা গ্রামের মৃত সলেমান মোল্লার ছেলে আব্দুর রশিদ জানান, ১৯৮৫ সালে পলাশপোল এলাকার আদম আলীর পুত্র রাজ্জাক মুন্সি প্রাণ সায়র এলাকার মৃত শফি খানের কাছ থেকে দোকান ডিড নেন। সে সময় দোকান ঘরটি অন্যত্র হস্তান্তর বা সাব লিজ দেওয়ার কথা না থাকলেও ১৯৯৫ সালে অর্থলোভী আব্দুর রাজ্জাক ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ওই দোকান ঘরটি নিজের দাবি করে আমার কাছে লিজ দেন। আমি সেখানে রাজ এন্টারপ্রাইজ নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণভাবে দীর্ঘ ২৪ বছর যাবৎ ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকি। বিগত ২০০৭ সালের দিকে এ খবর জানতে পেরে দোকানের মূল মালিক মৃত. শফি খানের পুত্র একরামুল কবির খান আমার সাথে যোগাযোগ করে কাগজপত্র দেখিয়ে বিস্তারিত জানান। সে সময় রাজ্জাককে ডাকালেও রাজ্জাক সেখানে হাজির হননি। আব্দুর রাজ্জাক ডিডের চুক্তির পরিপন্থী কাজের সাথে লিপ্ত থাকায় ২০০৮ সালের ২০ ফেব্রæয়ারি সাতক্ষীরা নোটারি পাবলিকের কার্যালয় থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে রাজ্জাকের সাথে থাকা ডিডের চুক্তি বাতিল করে সরাসরি আমাকে ডিড দেন একরামুল কবির খান। সে অনুযায়ী আমি শান্তিপূর্ণভাবে শাড়ি, লুঙ্গি, ছিট কাপড়ের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলাম। কিন্তু গত সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্ব স্থানীয় ব্যবসায়ী নজরুলের সহযোগিতায় তার জামাতা বকচরা এলাকার আব্দুস সালামসহ ৫০/৬০ জন ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে ধারালো অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে তালা কেটে দোকানের মধ্যে প্রবেশ করে। দোকানে থাকা ডাচ বাংলা ব্যাংকের চেক বই, মার্কেটে বাকি দেওয়া ৫লক্ষাধিক টাকার টালি খাতাসহ দোকানে থাকা অতি গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লুট পাট করতে থাকে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রæত সেখানে আসলে তাদের হাতে থাকা অস্ত্র উঁচিয়ে ভীতি প্রদর্শন করে আমাদের তাড়িয়ে দেয়। সে সময় বিষয়টি দোকানের মালিক একরামুল কবির খানকে অবহিত করলে তাৎক্ষনিক তার পুত্রসহ তার ম্যানেজার সেখানে পৌঁছালে তাদেরও খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয়। আমি তখন সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাদের নামিয়ে দিয়ে পুলিশ তালা মেরে দেয়। এ ঘটনায় আমরা সেদিনই সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করি। তিনি আরও বলেন, দোকান মালিক যদি রাজ্জাক হয়ে থাকে তাহলে কোর্টে থানায় বা জেলা বস্ত্র ব্যবসায়ীর নিকট আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে পারতো। তা না করে তার বাহিনী দিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল লুট করার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফিরে পেতে তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ সময় জেলা কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির কোষাধ্যক্ষ আবুল কাসেম, সদস্য বাবর আলি, আলমগীর হোসেন, আব্দুর রশিদের ছেলে মাসুদুর রহমান ও মামুনুর রশিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *