ঢাকাSunday , 15 September 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরায় ৫৮৪ টি মন্দিরে চলছে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শেষ ঝুঁকিপূর্ণ ১৯টি কেন্দ্র

admin ঢাকা
আপডেট: 15 September 2019, 22:03

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব (দুর্গাপূজা) কে কেন্দ্র করে জেলায় ৫৮৪ টি মন্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। আগামী ৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হবে। সাতক্ষীরা সদর সহ জেলার অধিকাংশ মন্দিরে চলছে তারই প্রস্তুতি। প্রতিমা তৈরির কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমার সৌন্দর্য বর্ধনে। দুর্গা পূজার বাকি মাত্র ১৮ দিন। তাই সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিমা কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করে চলেছে। দুর্গোৎসবকে পরিপূর্ণভাবে সাজাতে মন্দিরগুলোতে দিনরাত মিলিয়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা সদরে ১০৫ টি মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। সরজমিনে জেলার রসুলপুর, আলিপুর, ভোমরা, কাথন্দা, ছয়ঘোরিয়া, সোনাবাড়িয়া, ঝিটকি, ধুলিহর, নলতা, দেবহাটা, বাকা, বুধহাটা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ মন্দির গুলোতে মায়ের আগমন উপলক্ষে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। বকি আছে রং তুলির আঁচড় লাগানোর কাজ। মাগুরা কর্মকারপাড়া সার্বজনিন পূজা মÐলের সভাপতি পবিত্র ব্যানার্জি বলেন আমাদের পূজা মÐলে এবার প্রতিমা তৈরির কাজ করছে আগরদড়ি থেকে আসা কারিগর (মৃৎশিল্পী) রঘুনাথ রায়। মৃৎশিল্পী সুজয় পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বংশ পরম্পরায় এ পেশায় জড়িত আছে সে। বাপ দাদাদের কাছেই শেখেন কাদা মাটি আর খড় দিয়ে কীভাবে প্রতিমা তৈরি করতে হয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে ঝিটকি এলাকার কারিগর অজয় পাল বলেন, বছরের সব সময় কাজ থাকে না তাই অধিকাংশ সময় বেকার থাকতে হয়। কিন্তু এখন দুর্গাপূজা উপলক্ষে কাজের চাপ বেশি তাই রাত দিন পরিশ্রম করে মনের মাধুরী মিশিয়ে মা দুর্গার প্রতিমা তৈরি করছি। আর কয়েকদিন পর প্রতিমা রং করা হবে। তবে কাঠ, সুতা, খড়, রং, কাপড় ও মুকুট দিয়ে এক সেট তৈরি করতে সময় লাগে ৮-১০ দিন। সাতক্ষীর জেলা মন্দির কমিটির সভাপতি বিশ^ নাথ ঘোষ বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষে তাদের প্রস্তুতি শেষের দিকে। এই মাসের ১৮ তারিখ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে আলোচনা সভা হওয়ার কথা আছে। তবে এই বছর সাতক্ষীরায় সর্বমোট ২০ টি মন্দিরকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা বিশ^াস করি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে যে মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে তারা আন্তরিক ভাবে কাজ করলে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না। এবার উপজেলার ফিংড়ীতে-০৯টি, লাবসায়-০৬টি, বল্লীতে-০৫টি, ঝাউডাঙ্গায়-১৮টি, আগড়দাড়িতে-১৩টি, ধুলিহরে-৩টি, ব্রহ্মরাজপুরে-০৪টি, ভোমরায়-০৩টি, আলিপুরে-০টি, শিবপুরে-০৯টি, ঘোনায়-০৬টি, বাঁশদাহে-৪টি, কুশখালি-০৩টি, বৈকারি-০৩টি, ধানদিয়া ১৭টি, নগরঘাটায় ৯টি, সরুলিয়ায় ১০টি, কুমিরা ১৩টি, খলিষখালী ২০টি, তেতুলিয়া ৮টি, তালা ১৯টি, ইসলামকাটি ২০টি, মাগুরা ১০টি, খলিলনগর ২০টি, খেশরা ১৪টি, জালালপুর ১৬টিসহ সর্বমোট ইউনিয়নে ১৮২টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তার বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমরা মন্ডপগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করেছি। সে অনুযায়ী আমরা তিনটি স্তরের নিরাপত্তা দেব। যেন কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। এ বিষয়ে আমরা সর্বদা সজাগ রয়েছি। সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ যাতে নির্বিঘেœ তাদের উৎসব পালন করতে পারে সে বিষয়ে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এছাড়া দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন সার্বক্ষনিক নিরাপত্তায় থাকবে যাতে পূর্বের ন্যায় এবারও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
কেপসন: সাতক্ষীরা সদরের মাগুরা সার্বজনীন কলি মন্দিরে তৈরি করা হয়েছে মা দুর্গার প্রতিমা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *