সুপ্রভাত সাতক্ষীরায় সংবাদ প্রকাশ : উন্মুক্ত হলো শ্যামনগরের হাটকাটা খাল প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞা এলাকাবাসীর
গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর প্রতিনিধি: জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরার নির্দেশনায় জলাবদ্ধতা নিরসনে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের খালের নেট পাটা অপসারণের অগ্রগতি প্রশংসনীয়। প্রতিনিয়ত নেট পাটার অপসারণ চলমান রেখেছে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন। গত ৪ আগস্ট ‘দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরা’ পত্রিকায় “ জলাবদ্ধতার অভিশাপে নিমজ্জিত কৈখালী ইউনিয়নের বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা ” শীর্ষক সংবাদ প্রকাশের পরেই সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) কৈখালী ইউনিয়নের নেট পাটা অপসারণ করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ হাসান খান। নেট পাটা অপসারণ কালীন সময়ে এলাকার শত শত সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়ে উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ হাসান খালের সমস্ত নেট পাটা উঠিয়ে পুনরায় কেউ নেট পাটা দিয়ে পানি চলাচলে বিঘœ ঘটালে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান। উল্লেখ থাকে যে, পরান পুর বাজার থেকে কাঁকরঘাটা, মেন্দিনগর, শিবচন্দ্রপুর, গোনা ও পরানপুর এর কোল ঘেঁষে চলে গেছে হাতকাটা খাল। যা দুরমুজখালি সুইজগেট দিয়ে কালিন্দী নদীতে মিশেছে। অতীতে এই খালটি জলাবদ্ধতা নিরসনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে মানুষের জন্য আশীর্বাদ স্বরুপ থাকলেও কালের পরিক্রমায় কিছু মানুষ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে খালের বুকে নেট পাটা দেওয়ায় খালটি তার পুরোনো যৌবন হারিয়ে ফেলেছে। একসময় কালিন্দী নদীর সাথে মিশে থাকা এই খালে জোয়ার ভাটার সম্পর্ক থাকলে তা আজ আর দেখা মেলেনি। সেটা এখন মাঝে মাঝে নেট পাটা দিয়ে চরম ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এদিকে বর্ষার পানিতে তলিয়ে গেলেও একটি মহল এই খাল থেকে নেট পাটা অপসারণ না করায় জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাচ্ছে পুরো এলাকা জুড়ে। পরান পুর বাজার থেকে কাঁকরঘাটা, মেন্দিনগর, শিবচন্দ্রপুর, গোনা এলাকার মানুষের অভিযোগ ছিল তারা দীর্ঘদিন জলাবদ্ধতার অভিযোগে ভুগছিল। কিন্তু কিছু মানুষ নিজেরা ভালো থাকতে নেট পাটা বসিয়ে খালে মাছ চাষ করে রাজত্ব করছিল।
Leave a Reply