আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৭জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে খাজরা ইউনিয়নের কাপসন্ডা গ্রামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডলিম ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রমজান মোড়লের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ডালিম সমর্থক কাপসন্ডা গ্রামের আব্দুস সাত্তার গাজী, চেউটিয়া গ্রামের মিলন, সাবেক ইউপি সদস্য কবির হোসেন ও আব্দুস সামাদ। অপরদিকে রমজান মোড়ল নিজে ও তার সমর্থক আব্দুর রকিব ও সাকিল হোসেন। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডলিম বলেন- ‘চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি রমজানসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী সকালে সাত্তার গাজীর বাড়িতে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে সাত্তার গাজীসহ চারজন গুরুতর আহত হয়। আহতদের মধ্যে সামাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে’। ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহত রমজান মোড়ল জানান, ‘পবিত্র ঈদ উল আজহার আগে দুস্থদের বিতরণকৃত চাউল কালো বাজারে বিক্রির সময় ডালিম চেয়ারম্যানের সমর্থক আরিফ গাজী কে ৫ বস্তা চাউলসহ আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় আরিফকে আমি ধরিয়ে দিয়েছি বলে তারা আমাকে সন্দেহ করে। তারই জের ধরে আমি সকালে কাপসন্ডা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় নাশকতা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি সাত্তার গাজী, কবির, মিলন ও সামাদসহ তাদের সন্ত্রাসী গ্রæপ আমার উপর হামলা করে। এতে আমিসহ আমার তিনজন সমর্থক আহত হওয়ার খবর শুনে স্থানীয় লোকজন এসে তাদের মারপিট করে। এ ঘটনায় তাদেরও কয়েকজন আহত হয়েছে। আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুস সালাম জানান- প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা যাচ্ছে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষটি ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হয়েছে। বর্তমানে সেখানের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ দাখিল করেনি। অভিযোগ করলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
