ঢাকাMonday , 27 August 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

হাড়দ্দায় মানবতাবিরোধী অপরাধী সাঈদীর নামে জামায়াত সমর্থিতদের কোরবানি!

admin ঢাকা
আপডেট: 27 August 2018, 00:36

মীর খায়রুল আলম: সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের হাড়দ্দা গ্রামে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর নামে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের উদ্যোগে পশু কোরবানি করার ঘটনায় চারদিকে সমালোচনার বাতাস বইছে। বিষয়টি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের তালিকা প্রস্তুত করেছে। আর এই তালিকায় ভোমরা ইউনিয়নের কয়েকজন জামাত-শিবির নেতা-কর্মীর নামও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের হাড়দ্দা গ্রামের মৃত নিমাই কারিগরের ছেলে ইউপি সদস্য সাহেব আলী, বৈচনা গ্রামের মমতাজের ছেলে রুহুল আমিন, আমজাদ সরদারের ছেলে আক্তার হোসেন, চৌবাড়িয়া গ্রামের আবুল সরদারের ছেলে এবাদুল হক, আমজাদ হোসেনের ছেলে আক্তার হোসেন, বৈচনা গ্রামের শামসুদ্দীনের ছেলে আবু হাসান, হাড়দ্দা দক্ষিণ পাড়ার গণি সরদারের ছেলে মোহাম্মাদ আলী, হাড়দ্দা মাঝের পাড়ার রেজাউল ইসলামের ছেলে মিন্টু, হাড়দ্দা গ্রামের মৃত সোনা মোড়লের ছেলে শামসুর, একই গ্রামের আব্দুল গণির ছেলে মোহাম্মাদ, আব্দুস সামাদের ছেলে বাক্কার, মৃত ফয়জদ্দীনের ছেলে আব্দুল আলিম, আব্দুল গণির ছেলে আব্দুল গফ্ফার, মৃত নুরো সরদারের ছেলে নেসার আলী, বাহাদুরের ছেলে সালাউদ্দীন, মহিউদ্দীনের ছেলে বাকি বিল্লাহ, লক্ষিদাড়ী গ্রামের মৃত আত্তাপ শেখের ছেলে খাদেমুল ইসলাম, একই গ্রামের রহমান গাজীর ছেলে মাওলানা আব্দুর রশিদ, মৃত ইমাম বক্স গাজীর ছেলে আমজাদ গাজী, মৃত অহেদ মোল্যার ছেলে আবু তালেব মোল্যা, আখের শেখের ছেলে হাসান শেখসহ বেশ কয়েকজন সাঈদীর নামে পশু কোরবানির সাথে জড়িত ছিল। যা তদন্তে উঠে এসেছে।
সূত্র মতে, গত ২২ আগস্ট ঈদ-উল-আযহার দিন সাহেব আলী ও তার সহযোগীরা মিলে বিকাল ৩টার দিকে মিন্টুর বাড়িতে স্থানীয় মনি হাফেজকে দিয়ে ৪৮ হাজার টাকা মূল্যের একটি গরু কোরবানি করায়। কোরবানিকৃত গরুর মাংশ ভোমরা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের জামায়াত সমর্থিত ব্যক্তিদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিয়ে মনি হাফেজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে গরুটি জবাই করার জন্য ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। আমি আল্লাহর নামে গরুটি কোরবানি দিয়েছি।
এদিকে ইউপি সদস্য সাহেব আলীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দিলে নাম্বারটি বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, সাহেব আলীর অর্থায়নে ২০১৩ সালে ব্যাপক সহিংসতা চালায় জামায়াত-শিবির।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *