ঢাকাMonday , 19 August 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দেবহাটায় মহিলা মেম্বারের বিরুদ্ধে মন্দিরের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

admin ঢাকা
আপডেট: 19 August 2019, 22:01

এমএ মামুন, দেবহাটা: দেবহাটার দক্ষিণ নাংলা-ছুটিপুর ঋষিপাড়া কালি মন্দির নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য হামিদা পারভীনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবাদ করলে গ্রাম ছাড়া করার হুমকি দেয় ইউপি সদস্য হামিদা পারভীন। এতে অল্প সংখ্যক পরিবারের বসবাসরত ঋষিরা আতঙ্কে আছে বলে ঋষি পরিবার সূত্র জানায়। মন্দির কমিটি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ নাংলা গ্রামের ছুটিপুর ঋষিপাড়ায় ১২/১৩ পরিবার ঋষি সম্প্রদায়ের বসবাস। তারা পূজা অর্চনা করতে প্রাথমিক ভাবে নির্মাণ করেন একটি ছোট কালি মন্দির। পরে তারা বিভিন্ন সহযোগিতা নিয়ে কালি মন্দিরটির পাকা ঘর নির্মাণের কাজে হাত দেন। মন্দিরটি উন্নয়নের জন্য সেখানে প্রকল্প দেওয়া হলেও পাড়াটি সংখ্যালঘু ও অশিক্ষিত হওয়ায় কাজের সঠিক বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলেও জানায় কয়েকটি সূত্র। মন্দির কমিটির সভাপতি সুশান্ত দাস জানান, সম্প্রতি কালি মন্দিরের নামে জেলা পরিষদ থেকে এক লক্ষ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়। যার তত্ত¡াবধানের দায়িত্বে ছিলেন ইউপি সদস্য হামিদা পারভীনের উপর। টাকা পাওয়ার আগেই হামিদা পারভীন প্রকল্প পাশ করার নাম করে সহজ সরল এই ঋষিদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রকল্পের বরাদ্দকৃত এক লক্ষ টাকা থেকে প্রাথমিক ভাবে আমার এবং মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর করিয়ে ইউপি সদস্য হামিদা পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা উঠিয়ে নেয়। বাকি পঁচিশ হাজার টাকা আমার নিকট দিয়ে অবশিষ্ট বিশ হাজার টাকা বিভিন্ন দপ্তরে দিতে হবে বলে কেটে নেয়। তিনি আরও জানান, ঐ দিন সন্ধ্যায় আবারও ইউপি সদস্য হামিদা খাতুন আমার কাছে যেয়ে উক্ত বিশ হাজার টাকায় মেটেনি বলে আরো দুই হাজার টাকা নিয়ে আসে’। এতে সব মিলিয়ে পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা থেকে আঠারো হাজার টাকা পায় মন্দির কমিটি। বাকি সাতাশ হাজার টাকা চলে যায় ইউপি সদস্য হামিদা খাতুনের পকেটে। বিষয়টি স্থানীয় ঋষি সম্প্রদায়ের সবার মধ্যে জানাজানি হলে ইউপি সদস্য হামিদা বেশি বাড়াবাড়ি করলে তাদেরকে দেশ ছাড়া করার হুমকি দেয়। এবিষয়ে ইউপি সদস্য হামিদা খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, জেলা পরিষদ থেকে যে টাকা এসেছে আমি মন্দির কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছি। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক সুষ্ঠু সমাধান ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *