ঢাকাTuesday , 23 July 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

অস্তিত্ব সংকটে সাপমারা খাল: দু’ধারে গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা

admin ঢাকা
আপডেট: 23 July 2019, 23:13

ডেস্ক রিপোর্ট: দেবহাটা সাপমারা খাল এখন অস্তিত্বের সংকটে। দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ও সখিপুর ইউনিয়নের বুক চিরে প্রবাহিত সাপমারা খালটি এখন নি®প্রাণ প্রায়। খালের বুক ভরে গেছে ময়লা-আবর্জনায়। কোথাও কোথাও মাটি ভরাট হয়ে সমতল ভূমির সঙ্গে মিশে গেছে। আবার কোথাও কোথাও প্রভাবশালীরা দখল করে গড়ে তুলেছে অবৈধ স্থাপনা। জানা যায়, দেবহাটার সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে যাতায়াত ও যোগাযোগের সেতুবন্ধ হিসেবে খালটি খনন করা হয়। খালের বুক চিরে চলতো পণ্যবাহী লঞ্চ স্টিমার ও পালতলা নৌকা। এক সময় এই খাল দিয়েই খুলনা থেকে বিভিন্ন পণ্য সরবারহ করা হতো। সেই খালটিতে এখন নৌকা চলাতো দূরের কথা এক ধাপেই পার হওয়া যায়। এছাড়াও খালটি খননের ফলে নান্দনিক সৌন্দর্যে পরিণত হয় দেবহাটা উপজেলা। কিন্তু আজ খাল দখলের প্রতিযোগিতা চলছে। তারপর আবার খালের বুকে খাল দখলকারীরা গড়ে তুলেছে নিজেদের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দেবহাটার পারুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার সব ময়লা ফেলা হচ্ছে এই খালেরই ভেতরে। পারুলিয়া বাজারের মাছের বাজার সংলগ্ন খালে ফেলা হচ্ছে জবাই করা পশুর, হোটেলের ও মৎস্যর যত ময়লা আবর্জনা। ‘সাদা সোনা খ্যাত বাগদা চিংড়ি’ সিংহ ভাগই উৎপাদন হয় এই দেবহাটা উপজেলায়। আর এই চিংড়ি উৎপাদিত ঘেরে শুধু দেবহাটা নয় আশাশুনি, কালিগঞ্জ ও সদর উপজেলার শত সহ ঘেরে পানি সরবারহ হয় সাপমারা খাল থেকে। অথচ দেখা যায়, বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনায় আর অবৈধ দখলদারিত্বেও কারণে খালটি প্রায় ঢেকে গেছে। যার ফলে একটু বৃষ্টি হলেই এলাকার মৎস্য ঘের সহ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যায়। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মৎস্য ও ফসলি চাষিরা। পারুলিয়া বাজারের মৎস্য ব্যবসায়ী মনি বলেন, ‘এক সময় সাপমারা খাল দিয়ে উপজেলা ও তার আশেপাশের পানি নিষ্কাশন হতো। কিন্তু এই সাপমারা খালটি প্রায় ভরাট হয়ে যাওয়ায় এলাকার পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে’। এলাকার ঘের ব্যবসায়ী কবির বলেন, ‘ সাপমারা খাল পুনঃ খনন করা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আবারও ডুবে মরতে হবে আমাদের।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাপমারা খাল পুনঃখনন করে দেবহাটার ইছামতি নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারলে জলাবদ্ধতার হাত থেকে কিছুটা রক্ষা পাবে এলাকাবাসী।’ জাতীয় হিন্দু মহা জোটের সাতক্ষীরা জেলা সদস্য সচিব প্রভাষক সুজন ঘোষ বলেন, সাপমারা খাল দখল মুক্ত করতে হবে। তারপর ময়লা আবর্জনা সরাতে হবে। সাপমারা খাল পুনঃ খনন করে প্রবাহ সৃষ্টি করতে হবে। তবেই বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। দেবহাটার ২নং পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই সাপমারা খাল পুনঃ খনন করতে না পারলে দেবহাটাবাসী পানিতে ডুবে মরবে। জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে হাজার হাজার মানুষের জীবনে নেমে আসবে চরম দুর্দিন। সাপমারা খালের পুনঃ খননের প্রতিবন্ধকতার অন্যতম কারণ অবৈধ দখলদারিত্ব এবং অবৈধ স্থাপনা মুক্ত করণের প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন’। এলাকা বাসী সাপমারা খালকে জীবন্ত দেখতে চায় এবং পুনঃ খননে সব ধরনের দখলদারিত্ব অবসান কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *