ঢাকাMonday , 22 July 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কলারোয়ায় পাট পচানো বা জাগ দেয়া নিয়ে চরম বিপাকে কৃষকরা

admin ঢাকা
আপডেট: 22 July 2019, 23:19

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় এবার কৃষকেরা পাট পচানো বা জাগ দেওয়া নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। কারণ এখনোও প্রয়োজনীয় পরিমাণে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পুকুর, ডোবা জলাশয় ও খাল-বিলে পাট জাগ দেওয়ার মতো পানি জমেনি। ফলে বাধ্য কোন কোন কৃষক বাধ্য হয়েই প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে উপজেলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী সোনাই নদী এবং উত্তর উপজেলা সীমান্তের কপোতাক্ষ নদীতে পাট জাগ দেওয়া শুরু করেছেন প্রায় ১০ গ্রামের মানুষ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আবহাওয়া অনুক‚লে থাকায় এবার বিগত বছরের তুলনায় অধিক জমিতে পাট চাষ হয়েছে। বাম্পার ফলনও হয়েছ। তারপরেও চরম দুরবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন উপজেলার খোরদো, বাজে খোরদো, উলুডাঙ্গা, দেয়াড়া, সরসকাটী, জয়নগর, ক্ষেতপাড়া গ্রামের কৃষকরা। জলাশয়গুলোতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি না থাকায় পাট কাটা যাচ্ছে না। আবার অনেক কৃষকই নতুন করে ধান লাগানোর জন্য জমি ফাকা করতে পাট কেটে ফেললেও তা জাগ দেওয়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাসীন আলী সাংবাদিকদেরকে জানান, এবছর উপজেলায় ১০২৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও আবাদ হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ জমিতে।তিনি আরো বলেন বর্ষা হওয়াটা মূলত সৃষ্টিকতার হাত। এটা আমাদের কোন হাত নেই। উপজেলার গয়ড়া গ্রামের মনিরুজ্জামান জানান- এবছর জমিতে পাটের ভালো ফলন হয়েছে। তবে পাট পানিতে জাক দেওয়া নিয়ে আমরা সমস্যায় আছি।বর্ষকালের দুই মাসের মধ্যে আষাড় মাস শেষ হয়েছে, আজ শ্রাবণের এক সপ্তাহ তবুও বর্ষা দেখা নেই। আবু বক্কার দফাদার জানায়, এবছর অধিক লাভের আশায় বেশি জমিতে পাট চাষ করেছিলেন কিন্তু পানির অভাবে পাট কাটতে পারছি না। সময়মতো পাট জাগ দিতে না পারলে তার সব আশা ভেঙে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। উপজেলার খোরদো গ্রামের কৃষক আব্দুল্লাহ জানায়, সেকেন্ড বøক আমন ধান লাগানোর জন্য পাট কেটে ফেলেছি কিন্তু সময় মত তা পচাতে না পারলে ন্যায্য দাম পাওয়া যাবে না।
সোমবার সকালে দেখা যায়, উপজেলা দেয়াড়া থেকে ত্রিমহনী রাস্তায় দিয়ে কৃষকরা পাট কেটে সারিবদ্ধভাবে রাস্তার দু’ধারে সারিবদ্ধ করে রেখেছেন। বৃষ্টির প্রতীক্ষায় চেয়ে আছেন তারা। আর যাদের একটু সামর্থ আছে তার লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে ভ্যানে অথবা নছিমনে পাট পচাতে নিয়ে যাচ্ছেন কপোতাক্ষ ও সোনাই নদীতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *