ঢাকাWednesday , 17 July 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মাছ উৎপাদনে চিন ও ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান:শফিকুল ইসলাম

admin ঢাকা
আপডেট: 17 July 2019, 23:44

শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ,কালিগঞ্জ: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার দুই বছর পরে কুমিল্লার এক জনসভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমার বলেছিলেন ‘‘ মাছ হবে দ্বিতীয় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ’’। আজ বাংলাদেশের তৈরি পোষাক শিল্পের পরই মৎস্য ও মৎস্যজাত দ্রব্য সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। শুধু তাই নয় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আমিষের ৬০শতাংশ যোগান দেয় মাছ। ১৯৮৩-৮৪ অর্থবছরে মাছের মোট উৎপাদন ছিল ৭.৫৪ লাখ মেট্রিক টন। ৩৪ বছরের ব্যবধানে ২০১৭-১৮ সালে এ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৪২.৭৭ লাখ মেট্রিক টন। অর্থাৎ এ সময়ের ব্যবধানে মোট মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ গুন। সরকারের বাস্তব মুখী কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশ এখন মাছ ও মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। প্রাকৃতিক উৎসের মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়ে তৃতীয় অবস্থায় উন্নতি হয়েছে। গত ৯ জুলাই ২০১৮ খ্রী: প্রকাশিত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে যা বাংলাদেশের জন্য গর্বের ব্যাপার। বর্তমানে চিন, ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। এতে আরো বলা হয়েছে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের পঞ্চম ও প্রাকৃতিক এবং চাষের মাছ মিলিয়ে বিশ্বে চতুর্থ। সারা বিশ্বে প্রাকৃতিক উৎস থেকে মোট ৯০ লাখ টন মাছ উৎপাদন হয়। সেখানে বাংলাদেশের উৎপাদন হয় ১০ লাখ টন। বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৯ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন। ‘‘মাছ চাষে গড়বো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’’ এই স্লোগানগানকে সামনে
রেখে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৮ অনুসারে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৩.৫৭% মৎস্যের অবদান রয়েছে। দেশের মোট কৃষি আয়ের ২৩.৮৪% আসে মৎস্য থেকে। অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা ও ইলিশ প্রজনন সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে ২০১৭-১৮অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার মে.টন, যা ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে ছিল ২ লাখ ৯৯ হাজার মে.টন। বাংলাদেশ থেকে গুণগত মানসম্মত হিমায়িত চিংড়ি ও মৎস্যজাত পণ্য বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য হ্যাচারীর আঞ্চলিক কর্মকর্তা ড.শফিকুল ইসলাম, উইনরোক’র জেলা ম্যানেজার শংকর কুমার বিশ্বাস, কালিগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক ও রিপোর্টার্স ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক এসএম গোলাম ফারুক, রিপোর্টার্স ক্লাবের অর্থ সম্পদক ও বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী মিজানুর রহমান,উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাজেদুল হক সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা তথ্য প্রযুক্তি গের সভাপতি মাসুদ পারভেজ ক্যাপ্টেন, সাংবাদিক মহিবুল্লাহ, আতিকুর রহমান প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *