ঢাকাSaturday , 13 July 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কাজ শেষ হওয়ার আগেই দেয়াল ভেঙে স্কুল ছাত্র আহত

admin ঢাকা
আপডেট: 13 July 2019, 23:38

এমএ মামুন, দেবহাটা: দেবহাটার দক্ষিণ নাজিরে ঘের কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। ভবন তৈরিতে দুই নম্বর বালু দিয়ে নাম মাত্র সিমেন্ট দিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে দেওয়াল তৈরির কাজ। ঠিকাদার সেলিম মোল্লা নিজের প্রভাব খাটিয়ে এমন কাজ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে গত দুই দিন পূর্বে দেওয়াল চাপা পড়ে আহত হয়েছে মাহবুবর রহমান নামের এক স্কুল ছাত্র। আহত মাহবুব দক্ষিণ নাজিরে ঘের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র ও নাজিরের ঘের এলাকার আব্দুল গফ্ফার সরদারের পুত্র। আহত স্কুল ছাত্র বর্তমানে সাতক্ষীরার একটি বে-সরকারী ক্লিনিকে ভর্তি আছে।
জানাযায়, জনগণের স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়া লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে প্রত্যেকটি দুর্গম অঞ্চলে। বিভিন্ন প্রান্তে নির্মাণ করা হচ্ছে একতলা বিশিষ্ট কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন। চলতিবছর এই কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যেই কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের ছাদও নির্মিত হয়েছে। এখন চলছে ফিনিশিং এর কাজ। এতে ছাদ ঢালাইয়ে ব্যবহার করা হয়েছে স্বাভাবিক কংক্রিটের বদলে রাবিশ। যা নির্মাণ কাজে কোন মতেই ব্যবহার যোগ্য না।
কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনে গিয়ে জানা গেছে, কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের নির্মিত ছাদে উন্নতমানের কংক্রিটের ব্যবহারের নির্দেশনা থাকলেও সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ব্যবহার নিষিদ্ধ রাবিশ। মূল ভবনের দেওয়ালে ব্যবহার করা হয় নিন্মমানের ইট-বালু। সিমেন্ট নেই বললেই চলে। ফলে সামান্য বাতাসে দেওয়ালটি ধ্বসে পড়ে স্কুল ছাত্র মাহবুব আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসি।
দক্ষিণ নাজিরে ঘের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্র-শনিবার সরকারী ছুটির দিনে মিস্ত্রীরা এসে নির্মাণের কাজ চালিয়ে আসছে। দেওয়ালের গাথুনী ও ছাদ ঢালাইয়ের সময় নিন্মমানের ইট, বালু, নাম মাত্র সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। যা নির্মাণ কাজে কোন ভাবেই ব্যবহার যোগ্য নয়।
কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য ইয়ামিন মোড়লের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার করার বিষয়ে আমি কয়েকবার অভিযোগ করেছি। কিন্তু ঠিকাদার প্রভাবশালী হওয়ায় কাজ বন্ধ না করে জোর পূর্বক চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া বিশেষ করে ছুটির দিন গুলোতে তারা কাজ করছে।
এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল লতিফ বলেন, ভবন তৈরির কাজ শেষ হওয়ার আগেই দেওয়াল ভেঙে স্কুল ছাত্র আহত হওয়ার ঘটনা শুনে আমি নিজে নির্মান কাজ পরিদর্শন করি। দেওয়াল তৈরিতে নিæমানের সারঞ্জাম ব্যবহার হওয়ায় জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, ইউএনও অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ পত্র পাঠানো হয়েছে।
এবিষয়ে ঠিকাদার সেলিম মোলর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, আমি কাজের সাইটে যাই না। সাতক্ষীরাতে সাঈদ নামের একজন সাব কন্ট্রাক্টারের মাধ্যমে আমি কাজ করাই।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মোমিনুর রহমান বলেন, আমি কয়েকদিন নিজে যেয়ে কাজ পরিদর্শন করেছি। তাদের কাজ নিæ মানের হওয়ায় দেখে আমি সন্তুষ্ট হতে পারি নি। তবে দেওয়াল চাপা পড়ে স্কুল ছাত্র আহত হওয়ার ঘটনা খুবই দুঃখ জনক। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *