ঢাকাThursday , 11 July 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কৈখালীতে মায়ের সম্পদ আত্মসাৎ করতে পিতাকে নিয়ে পুত্ররা উধাও!

admin ঢাকা
আপডেট: 11 July 2019, 00:05

রমজাননগর প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে মায়ের সম্পদ আত্মসাৎ করার জন্য পিতাকে নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুত্রদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে বৃদ্ধা মাতা পুত্রদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, কৈখালী ইউনিয়নের ০২ নং ওয়ার্ডের জয়াখালী গ্রামের মৃত আহ্ছাউল্ল্যা গাজীর পুত্র মান্দার আলী গাজী (৮৮) স্টেক জনিত কারণে দীর্ঘ দিন বিছানায় পড়ে ছিলেন। মান্দার গাজীর স্ত্রী আমেনা বিবি (৭৮)একই ভাবে বিনা চিকিৎসায় ধুকে ধুকে জীবন কাটাচ্ছেন । মান্দার গাজীর তিন পুত্র ও তিন কন্যা। পুত্ররা হলেন আব্দুস সাত্তার , আব্দুল হামিদ ও আব্দুল মজিদ। কন্যারা হাসিনা খাতুন , ফতেমা খাতুন ও মরিয়ম খাতুন। মান্দার গাজী ২০১৬ সালে একশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে তার স্ত্রী আমেনা বিবিকে রমজাননগর ইউ,পির ভেটখালী পেরীফেরীভুক্ত হাট বাজারের কোস্টগার্ড অফিসের পাশে রবাদ্দকৃত একটি দোকান ঘর লিখে দেন। গত ২০ শে এপ্রিল সকালে মান্দার গাজীর পুত্র আব্দুস সাত্তার ও আব্দুল হামিদ অত্যন্ত সু-কৌশলে মায়ের নামে পিতার দেওয়া দোকান ঘরটি যার মূল্য আনুমানিক বিশ লক্ষাধিক টাকা বাকি এক ভাই ও তিন বোনকে ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে মায়ের দোকানে তালা লাগিয়ে দেয়। আব্দুল হামিদ ও আব্দুস সাত্তার অসুস্থ পিতা মান্দার গাজীর নামে চার বিঘা জমির ভুয়া কাগজ পত্র তৈরি করে লোকজনের দেখাতে থাকে এবং পরিকল্পিত ভাবে পিতাকে নিয়ে উধাও হয়েছেন। বৃদ্ধা আমেনা বলেন , কয়েকদিন আগে আমার স্বামীকে আমার ছেলেরা নিয়ে চলে গেছে। তার সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারছি না। বৃদ্ধার অপর পুত্র আব্দুল মজিদ বলেন , আমি গোপনে জানতে পারলাম দোকান ঘরটি আমার ভাইয়েরা বিক্রয় করে দিয়েছে। দোকান ঘরের পুনরায় কাগজ পত্র করার জন্য পিতাকে নিয়ে আমার ভাইয়েরা উধাও হয়েছে। বিষয়টি শান্তিপূর্ন সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন বৃদ্ধা আমেনাসহ তার বঞ্চিত সন্তানেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *