কলারোয়ায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারপিটের অভিযোগ
ডেস্ক রিপোর্ট: কলারোয়ায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টাকা ছিনতাই ও মারপিটের অভিযোগ করেছেন একজন ঠিকাদার। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৪জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো বাজারে নির্মাণাধীন ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের সামনে। ওই ঘটনায় উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের আবুল হোসেন সানার ছেলে নির্মাণাধীন দেয়াড়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের ঠিকাদার রফিকুল ইসলাম আহতাবস্থায় কলারোয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইতোমধ্যে তিনি বাদি হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, দেয়াড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহাবুবর রহমান মফে (৫০) ও উলুডাঙ্গা গ্রামের জুবান গাজীর ছেলে কওছার আলী (৫০)সহ ৪/৫ জন ব্যক্তি ঠিকাদার রফিকুলের কাছে দেয়াড়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের শুরু থেকেই ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। একপর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যানের হুমকি-ধামকিতে ভীতসন্ত্রস্থ হয়ে গত ৪ মাস পূর্বে চেয়ারম্যানকে নগদ দেড় লাখ টাকা চাঁদা প্রদান করতে বাধ্য হন। এরপর থেকে অবশিষ্ট চাঁদার টাকার দাবিতে তারা ভয়ভীতি ও খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে আসছিলেন। এরই জের ধরে সোমবার (২৪জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি (ঠিকাদার) নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শনে গেলে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে তারা চাঁদার বাকি টাকা দাবি করেন। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে এলোপাতাড়ী মারপিট করে আহত করে। সেসময় তার পকেটে থাকা লেবারদের পেমেন্ট ও রড সিমেন্ট ক্রয়ের দুই লাখ দশ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন এবং ভবনের নির্মাণ কাজ করতে দিবে না বলে হুমকি দিয়ে চলে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ব্যাপারে দেয়াড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মফে জানান, ‘অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে ঠিকাদার রেইনস্পট (পানির ফোটা লাগানো) ইট দিয়ে কাজ করায় তার (ঠিকাদার) সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। অন্য কিছুই নয়। সেসময় উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরএম সেলিম শাহনেওয়াজ জানান, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
Leave a Reply