ঢাকাTuesday , 18 June 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

ভোমরা বন্দরে রাজস্ব ঘাটতির আশংকা

admin ঢাকা
আপডেট: 18 June 2019, 00:03

মাজহারুল ইসলাম: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব ঘাটতির আশংকা দেখা দিয়েছে। ভোমরা বন্দরে চলতি জুলাই ২০১৮-জুন ২০১৯ অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১ হাজার ৩৩ কোটি টাকা। এ বছরের মে পর্যন্ত রাজস্ব আয় হয়েছে ৯শ’ ৬৩ কোটি টাকা। টার্গেট অনুযায়ী এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য জুন মাসের লক্ষ্যমাত্রা ৭০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো ৮শ’ ৭ কোটি টাকা। কিন্তু রাজস্ব আদায় হয়েছিলো ৭শ’ ৯৫ কোটি টাকা। সে অনুযায়ী গত অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি ছিলো ১২ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে ভোমরা স্থল বন্দরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভোমরা স্থলবন্দরে বিগত কয়েক মাস ধরে পূর্বের ন্যায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম কমে গেছে। যার ফলে আমরা এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কিছুটা পিছিয়ে গেছি।’ আমদানি-রফতানি কমার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ঘোজাডাঙ্গা বন্দরে অনলাইন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় গাড়ি এন্ট্রি করতে দেরি হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে কিছু গাড়ি ২/৩ দিন পর্যন্ত তাদের বন্দরে আটকে থাকছে। ফলে তারা যথাসময়ে গাড়ি ছাড়তে পারছে না। তাছাড়া গত মাসে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে ধর্মঘট ও পূজার ছুটিসহ নানাবিধ কারণে কয়েকদিন বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আমরা রাজস্ব আদায়ে কিছুটা পিছিয়ে গেছি।’ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে এ মাসে ৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে হবে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জুন মাসে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে খুব কম সংখ্যক গাড়ি ঢুকছে। তাছাড়া ঈদের ছুটিতে পোর্ট বন্ধ ছিলো। যার ফলে জুন মাসে ৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় প্রায় অসম্ভব। তবে গাড়ি ঢুকলে লক্ষ্যমাত্রা শত ভাগ অর্জন হবে।’ তবে ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীদের মতে ভোমরা স্থল বন্দর থেকে অধিকাংশ ব্যবসায়ী মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তারা স্বত:স্ফুর্তভাবে ব্যবসা করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। পেয়াজ আমদানিকারক সাইফুল কবির মিন্টু বলেন, আগে এই বন্দরে কাঁচা ও পঁচনশীল পণ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় পাওয়া যেতো, কিন্তু বর্তমানে অটোমেশন চালু হওয়ার কারণে পূর্বের ন্যায় কোন প্রকার ছাড় আমরা পাচ্ছি না। অটোমেশন প্রক্রিয়ায় পণ্যের ক্লিয়ারিং প্রসেস ধীর গতিতে হওয়ার ফলে বেশিরভাগ কাঁচা পণ্য পঁচে যাচ্ছে। তাছাড়া ওপারে অনলাইন চালু হওয়ার কারণে পণ্যের প্রোসেসিং দেরি হচ্ছে এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ক্ষতির দিক বিবেচনা করে অন্য বর্ডার দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে ভোমরা স্থলবন্দর দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে।
এ বিষয়ে ভোমরা সি অ্যান্ড এফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, ভোমরা বন্দরের বিপরিতে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বন্দরে (ইবিআই) সিস্টেম চালু হয়েছে। কিন্তু এই সিস্টেম দক্ষ জনবল না থাকায় এবং প্রায় সময় সার্ভার সমস্যা থাকার কারণে ভোমরা বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বাধ্য হয়েই ব্যবসায়ীরা দেশের অন্যান্য বন্দর দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে এ বন্দরে বর্তমানে আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা একেবারেই কমে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *