সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের এক গ্রুপের মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা প্রতিপক্ষ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি করেছেন। শুক্রবার (৩১ মে) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত ওই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণের মশালের সম্পাদক আশেক ই এলাহি, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি সুভাষ চৌধুরী, পত্রদূতের আনিসুর রহিম, সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি মমতাজ আহমেদ বাপী, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি, চ্যানেল আই’র জেলা প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নুর ইসলাম, দিনকালের জেলা প্রতিনিধি আবদুল বারী, সমকালের জেলা প্রতিনিধি এম কামরুজ্জামান, সময়ের খবরের জেলা প্রতিনিধি রুহুল কুদ্দুস, পত্রদূত সম্পাদক লায়লা পারভিন সেঁজুতি, মানবজমিনের ইয়ারব হোসেন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির জেলা প্রতিনিধি আবুল কাসেম, হাফিজুর রহমান মাসুম প্রমুখ। সম্প্রতি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের এক অনুষ্ঠানকে ঘিরে সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার সাংবাদিকদের ভিতরে বিভাজন তৈরি হয়। সাংবাদিকদের এক গ্রুপের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবির বিরুদ্ধে অবাঞ্ছিত ঘোষণা প্রত্যাহার করে নেয়। একই সাথে আন্দোলনকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সিনিয়র চারজন সদস্যকে বহিস্কার করার ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সাংবাদিকদের মধ্যে দৃশ্যমান এই দুই গ্রুপের মধ্যে বৃহস্পতিবার ৩০ মে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ বাঁধে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক সামান্য আহত হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় গ্রুপ সাতক্ষীরা সদর থানায় লির্খিত অভিযোগ দায়ের করে। এদিকে দু গ্রুপের সাংবাদিকরা শুক্রবার (৩১ মে) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণায় দেয়। তবে প্রথমে এক গ্রুপ কর্মসূচি শুরু করলে অপর গ্রুপ তাদের কর্মসূচি পালনের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। কিন্তু পবিত্র জুম্মাতুল বিদা থাকার কারণে প্রশাসনের অনুরোধে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।

Leave a Reply