দেবহাটায় সড়ক সংস্কারে দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে দুদক
মীর খায়রুল আলম: দেবহাটায় সড়ক সংস্কারের কাজ শেষ হতে না হতেই পিচ উঠে যাওয়ার ঘটনায় সুপ্রভাত সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়েছে কর্তৃপক্ষের। বিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি বিষয়টি তদন্ত করতে মাঠে নামে দুর্নীতি কমিশন। আর এতে ফেঁসে যেতে বসেছেন ঠিকাদার আবুল কালাম। বার বার দুর্নীতি ও অনিয়ম করে উপজেলা প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ম্যানেজ করে পার পেলেও এবার শেষ রক্ষা হচ্ছে না বলেও জানা গেছে।
বুধবার (২৯ মে) দুপুরে তদন্তে আসে দুদকের খুলনা টিমের সদস্যরা। এতে স্থানীয়দের অভিযোগ ও কাজের মান পরীক্ষা শেষে অনিয়মের বিষয়টি তাদের কাছে ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছেন দুদুক কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, হাদীপুর-জগন্নাথপুর আলিম মাদ্রাসা থেকে বিলগামী ৯৭৫ মিটার এবং সখিপুর আরএন্ডএইচ থেকে কেয়ার রোড পর্যন্ত ৬৮৫ মিটার রাস্তা সংস্কারের জন্য একটি প্যাকেজে মোট ৫৪ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৮৫ টাকার কাজ বরাদ্দ পায় উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও মেসার্স সালেহা এন্টারপ্রাইজ পরিচালক আবুল কালাম। কিন্তু কাজের শুরুতেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি নিন্মমানের ইটের খোয়া এবং অন্যান্য নিন্মমানের সরঞ্জামাদী দিয়ে কাজ শুরু করলে স্থানীয়দের চপের মুখে পড়ে ঠিকাদার আবুল কালাম। পরে এলজিইডি অফিস ম্যানেজ করে তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করের তিনি। কিন্তু বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানার পর তিনি উপজেলা প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম ও জেলা এলজিইডির ইঞ্জিনিয়রকে অবগত করেন। পরবর্তীতে এলজিইডির ইঞ্জিনিয়র ঐ সড়ক পরিদর্শন করে কাজে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের সত্যতা পান। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অদৃশ্য কারণে ঐ সড়কটিতে পুনরায় কোন কাজ করেনি। তবে ঐ ঠিকাদারের প্রতিটি কজে অনিময় থাকলেও ব্যবস্থা নেন না কর্তৃপক্ষ। তাই তার ঠিকাদারী লাইসেন্স বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন উপজেলার সচেতন মহল।

Leave a Reply