ঢাকাTuesday , 28 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মরেও শান্তি পেলেন না শিক্ষক পত্মী : লাশ হলেন গৃহবধূ, মার খেলেন স্বজনরা

admin ঢাকা
আপডেট: 28 May 2019, 22:46

ডেস্ক রিপোর্ট: মরেও শান্তি পেলেন না আশাশুনির গৃহবধূ শিখা রাণী বাছাড়। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টায় তার মরদেহ নিয়ে শুরু হলো টানা হেচড়া। অবশেষে হাসপাতাল কর্মচারীদের হাতে বেধড়ক মার খেয়েও তার প্রতিকার পেলেন না স্বজনরা।
ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে আশাশুনি উপজেলার পুঁইজালা গ্রামের শিখা রাণী (৪৮) ২৬ মে ভর্তি হন সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড ইনটেনসিভ কেয়ার হাসপাতালে। মঙ্গলবার বিকালে মারা যান তিনি। সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার বলেছেন, তার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। কিন্তু রোগীর স্বজনরা বলেন, ডাক্তার কখনও বলেন নি তার অবস্থা খারাপ। চিকিৎসায় অবহেলা অথবা ভ্রান্ত চিকিৎসার কারণে মৃত্যু হয়েছে তার।
এদিকে মৃতুর পরপরই তার দেহ দ্রুত নিচে নামানোর চেষ্টা করে কর্মচারীরা। কিন্তু স্বজনরা এতে বাধা দিয়ে বলেন, তাদের লোকজন আসছেন। অ্যাম্বুলেন্সও আসছে। একটু অপেক্ষা করুন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের কর্মচারীরা স্বজনদের মারপিট শুরু করে দেন। তারা কিল চড় ঘুষি মেরে তাদের ধরাশায়ী করে ফেলেন। নিজেদের দোষ ঢাকতে দ্রুত দেহ নামানোর চেষ্টায় এই তা-ব শুরু করেন তারা। তাদের হামলায় আহত হন রোগীর স্বামী স্কুল শিক্ষক সন্তোষ বাছাড়, সুরঞ্জন বাছাড়, প্রণব সরকার, বিধান সরকার, গোরা সরকারসহ বেশ কয়েকজন। হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় আল আমিন, মনিরুল ইসলাম, শচিন ও সাদিকসহ কয়েকজন পান্ডা লাঠিয়ালের ভূমিকায় সবাইকে মারপিট করে ওপরতলা থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ঠেলে নিচে পাঠায়। সেই সাথে শিখার দেহও নিচে রেখে পালিয়ে যায়। এই নিয়ে শুরু হয় তোলপাড়। পরে বিক্ষুব্ধ স্বজনরা ছাড়াও স্থানীয়রা ওয়ার্ড বয় ও কর্মচারীদের খুঁজতে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। এ সময় পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। এ সময় ওয়ার্ড বয় ও কর্মচারীরা অপরাধ স্বীকার করে মৃতের স্বজনদের কাছে ক্ষমা চায়। তবে তাদের পরিবারের সদস্যরা বলেন, তারা এই অভিযোগ নিয়ে থানায় যাবেন। নালিশ দেবেন।
রাত ৮টায় ডেথ সার্টিফিকেট ও ছাড়পত্রসহ গৃহবধূ শিখা বাছাড়কে নিয়ে স্বজনরা অদৃষ্টের দোষ দিয়ে ফিরে যান নিজেদের বাড়িঘরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *