ঢাকাMonday , 27 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনিতে মস্তিস্ক বিকৃত বৃদ্ধের জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 27 May 2019, 22:03

সমীর রায়, আশাশুনি: আশাশুনির সাব-রেজিস্ট্রার পার্থপ্রতিম মূখার্জীর বিরুদ্ধে মস্তিস্ক বিকৃত বৃদ্ধের জমি রেজিস্ট্রি ও জাল দলিল সম্পাদন করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দুই ভুক্তভোগী। মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে পৃথকভাবে এই সংবাদ সম্মেলন করেন খরিয়াটি গ্রামের পাপিয়া খাতুন ও চাপড়া গ্রামের জয়নাল আবেদীন। পাপিয়া খাতুন জানান, আমার বাবা আশাশুনি সদরের শ্রীকলস গ্রামের আব্দুল গফুর সরদার দীর্ঘ নয় বছর যাবত মস্তিস্ক বিকৃত হয়ে বাড়িতে পড়ে আছেন। নার্গিস, রোজী, বেবী, পাপিয়া, আম্বিয়া, আব্দুর রাজ্জাক ও আবু হাসান বকুল নামে পাঁচ বোন দুই ভাই। আমার দুই ভাই, দুর্নীতি পরায়ন চাপড়া গ্রামের দলিল লেখক আহসান হাবীব ও দুর্নীতিবাজ সাব রেজিস্ট্রার পার্থ প্রতিম মূখার্জীর যোগসাজসে বোনদের ওয়ারেশ ফাঁকি দিয়ে বড় অংকের টাকার বিনিময়ে মস্তিস্ক বিকৃত মানুষকে দিয়ে চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ২৬২৭ নং দলিল সম্পাদন করে বাবার ১৬ বিঘা সম্পত্তি থেকে আমাদের বঞ্চিত করেছেন। আমরা ৫ বোন দীর্ঘ ৩ মাস যাবত পৈত্রিক জমি ফিরে পেতে ছাত্রলীগের সভাপতি আসমাউল হুসাইনের স্মরনাপন্ন হয়েছি। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে উক্ত দুর্নীতিবাজ অফিসারের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি আসমাউলকে কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে কিছুক্ষণ পর অফিসার তার পক্ষের কিছু দলিল লেখক কে খাস কামরায় ডেকে নিয়ে চক্রান্ত শেষে বাইরে এসে প্রচার দেন যে আসমাউল আমার (অফিসার) কাছে চাঁদা দাবি করেছে। এরপর তিনি সকল দলিল লেখক কে চাপ দিয়ে এবং বিভ্রান্ত করলে দলিল লেখকরা কলম বিরতি করতে বাধ্য হয়। এদিকে জয়নাল আবেদীন জানান, মধ্যম চাপড়া গ্রামের মৃত কুরবান আলীর ইকরাদি সম্পত্তি ওই দলিল লেখক আহসান হাবিব, মাদরা গ্রামের মৃত গফুর গাইনের ছেলে মোস্তফা গাইন, চাপড়া গ্রামের আজহারুল ইসলাম যোগসাজোস করে উক্ত দুর্নীতিবাজ অফিসার পার্থ প্রতিম মূখার্জীকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি চাপড়া মৌজার ২১৯ খতিয়ানে ৬৩, ৬৪, ৬৫, ও ১১৪ দাগসহ অন্যান্য দাগে ৬৬ শতক জমির জাল দলিল সৃষ্টি করেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমি অফিসের এক কর্মচারিকে দলিলের নকল কপি দেওয়ার কথা বললে স্যার দিতে না বললে দিতে পারবনা বলে জানিয়ে দেয়। এরপর প্রতিকারের জন্য আমি আসমাউলকে বললে তিনি উক্ত মঙ্গলবার পাপিয়া ও আমার বিষয়টি নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে গেলে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি দলিল লেখকদের চাপ দিয়ে ও বিভ্রান্ত করে এই আসমাউলের বিরুদ্ধে এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর সাথে সাথে উপরোক্ত বিষয়টি আমলে নিয়ে বিহীত ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *