ঢাকাThursday , 16 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কালিগঞ্জে কমিটি বিলুপ্তির অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের তদন্ত সম্পন্ন

admin ঢাকা
আপডেট: 16 May 2019, 23:10

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও উপজেলার রতনপুর, বিষ্ণুপুর ও কুশুলিয়া ইউনিয়ন এবং কুশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করার ঘটনায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিক তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সরেজমিনে তদন্তে যান জেলা ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা এ.এফ.এম গালিবুর রহমান ও শাহেদ পারভেজ ইমন। এসময় বিলুপ্ত রতনপুর, বিষ্ণুপুর ও কুশুলিয়া ইউনিয়ন এবং কুশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকরা উপস্থিত থাকলেও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী নুর আহমেদ রনি ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন উপস্থিত ছিলেন না।
তদন্তকালে ওই চারটি ইউনিটের নেতৃবৃন্দ বলেন, সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ভাবে গত ২৫.০১.১৯ তারিখে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কুশুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি, ২৪.০১.২০১৯ তারিখে এক বছর মেয়াদে রতনপুর ইউনিয়নের ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি, গত ১৮.০৯.১৮ সম্মেলনের মাধ্যমে ১ বছর মেয়াদী কুশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি এবং গত ০৬.০৭.১৮ তারিখে ১১ সদস্য বিশিষ্ট ১ বছর মেয়াদী বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি গঠিত হয়।
কমিটি গঠনের পর নেতৃবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণে দলীয় ও জাতীয় সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে পালিত হয়ে আসছে। পাশাপাশি সংগঠনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে নেতৃবৃন্দ অব্যাহত ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তারা আরও বলেন, গত ২২.০৩.১৯ তারিখে কাজী নূর আহমেদ রনিকে সভাপতি এবং ফিরোজ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক উপজেলা কমিটি গঠন করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক মহোদয়। নবগঠিত কমিটির সভাপতি কাজী নূর আহমেদ রনি ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলা কমিটি গঠনের পর থেকে তারা বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের নিকট টাকা দাবি করতে থাকে।
সর্বশেষ গত ১২.০৫.১৯ তারিখ সন্ধ্যায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংগঠনের একটি প্রোগ্রাম শেষে আবারও সভাপতি কাজী নূর আহমেদ রনি ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন কমিটি টিকিয়ে রাখতে প্রত্যেক ইউনিটকে ৫০ হাজার টাকা হারে প্রদানের নির্দেশ দেয়। আমরা চারটি ইউনিট দাবিকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করি এবং সাথে সাথে টাকা দাবির বিষয়টি জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে অবহিত করি। জেলা নেতৃবৃন্দ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে টাকা দিতে নিষেধ করেন। আমাদের কমিটির মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৩.০৫.১৯ তারিখ প্রথম প্রহরে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।
তবে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি ভাঙার কারণ হিসেবে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে যা আদৌ সত্য নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *