ঢাকাThursday , 16 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আইসক্রিম তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে কাপড়ের রঙ : মালিক বললেন, বছরে দু’একবার জরিমানা করে- এটা ব্যাপার না

admin ঢাকা
আপডেট: 16 May 2019, 22:35

মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা: দেবহাটার কুলিয়ার নিউ সুপার আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত করেই থেমে যায় প্রশাসন। কিন্তু বন্ধ হয় না অপদ্রব্যের ব্যবহার। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে সাধারণ জনগণ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ কুলিয়ার মৃত ফজর আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী বসতবাড়িতে আইসক্রিম ফ্যাক্টরি তৈরি করে যত্রতত্র নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম তৈরী করেন। তার ফ্যাক্টরিতে কাজ করে শিশুরা। এসব শ্রমিকের গায়ে থাকে না কোন পোশাক। খালি গায়েই কাজ করে তারা। আইসক্রিম তৈরীতে ব্যবহার করা হয় নোংরা পানি ও কাপড়ের রঙ। তৈরীকৃত আইসক্রিমের চৌবাচ্চায় রাখা হয় দীর্ঘদিনের মাছ ও মাংসের টোপলা। মালিকের বাড়িতে ফ্রিজ না থাকায় বাড়ির ব্যবহার্য মাছ ও মাংস এভাবেই রাখায় হয় আইসক্রিমের চৌবাচ্চায়। আইসক্রিম ফ্যাক্টরিটির পরিচিতি না থাকলেও আইসক্রিম তৈরীর পর নামিদামী কোম্পানির লেবেল ব্যবহার করে সেগুলো দেদারচ্ছে বাজারে সরবরাহ করা হয়। প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে দক্ষিণ কুলিয়ার মৃত ফজর আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা দিয়ে এক প্রকার বৈধ করে নেন নকল আইসক্রিম তৈরীর এই ফ্যাক্টরি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করে চলে যাওয়ার পর আবার অবস্থা যা তাই।
ঠিন এমনি তথ্য পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সেখানে অভিযান চালান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বজল মোল্লা। এ সময় খাদ্যে ভেজাল, কাপড়ের রং, নোংরা পরিবেশ, অন্য প্রতিষ্ঠানের লেবেল জব্দ করেন তিনি। এঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ২০০৯ এর ৪৪ ধারায় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক দক্ষিণ কুলিয়ার মৃত ফজর আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে খাদ্যে ভেজাল মেশানো বন্ধসহ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন তিনি। তবে ভ্রামামাণ আদালত শেষে কর্তৃপক্ষ স্থান ত্যাগ করার সাথে সাথে ফের ঐ ফ্যাক্টরিতে চালু হয়েছে নকল ও মানহীন আইসক্রিম তৈরীর কাজ।
স্থানীয়রা এ ব্যাপারে অভিযোগ করে বলেন, মোহাম্মাদ আলী বার বার জরিমানা দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন। এতে ক্ষতিকারক আইসক্রিম খেয়ে শিশু স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে।
প্রতিষ্ঠান পরিচালক মোহাম্মদ আলী জানান, প্রতিবছর দু’একবার জরিমানা করে। এটা কোন ব্যাপার না। তবে আইসক্রিমে কি মেশানো হয় জানতে চাইলে বলেন, রং না হলে আইসক্রিম বিক্রয় হয় না। তাই কাপড়ের রং ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আর কোন উত্তর দিতে চাননি তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *