ঢাকাMonday , 13 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আতংক পিছু ছাড়ছে না

admin ঢাকা
আপডেট: 13 May 2019, 23:47

ডেস্ক রিপোর্ট: ছেলে ধরা রোহিঙ্গা আতংক কোন মতেই পিছু ছাড়ছে না গ্রামাঞ্চলের মানুষকে। এ বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং ও পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হলেও গুজব পিছু ছাড়ছে না তাদের। এরই মধ্যে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পানখালি-চুনা গ্রামে রোববার (১২ মে) রাত ৯টার দিকে মো. শাহীনুর রহমান ও মোছা. রুবিনা খাতুন দম্পতির একমাত্র ছেলে ২ (দুই) বছর বয়সী আব্দুর রশিদকে নিজ ঘরের জানালার শলা ভেঙে টেনে বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা’র ঘটনা ঘটেছে। ঐ রাতেই ঘটনাটি সমগ্র ইউনিয়নে ছড়িয়ে পড়ে। পরে সোমবার (১৩ মে) সকাল ১০টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান (২) ডালিম কুমার ঘরামী। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ঘরটি পরিদর্শন করে ভীতসন্ত্রস্ত আব্দুর রশিদকে কোলে তুলে পরম মমতা দিয়ে তার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস ব্যক্ত করেন। শিশুটির মা রুবিনা খাতুনের ভাষ্যমতে, রাতে তারাবির নামাজ শেষে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। শিশুটির বাবা বাইরে মাটির কাজ করার সুবাদে বাড়িতে ছিলেন না। ঘরের ভিতর সিলিং ফ্যান চলতে থাকায় তিনি জানালার শলা ভাঙ্গার শব্দ বুঝতে না পারলেও তার কোল থেকে বাচ্চা চলে যাচ্ছে এটি তিনি টের পান। এ সময় চেয়ে দেখেন তার বাচ্চার পা জানালার বাইরে থেকে কেউ টানছে। ততক্ষণে তার কোমর পর্যন্ত বাইরে চলে গেছে। তারপর সে হাঁকাহাঁকি ও চিৎকার চেঁচামেচি করলে পাশের কয়েকটি পরিবারের মানুষ ছুটে আসে। ততক্ষণে সেই লোকটি চলে যায়। পাশের বাড়ির সাত্তার আলী গাজী বলেন, আমি দৌঁড়ে বের হয়ে লোকটাকে ধরতে না পারলেও তার কিছুটা বর্ণনা দিতে পারবো, তার মাথায় জটা চুল, গায়ে পাঞ্জাবি ও মুখে দাঁড়ি ছিলো। মনে হলো লোকটাকে ক’দিন ধরে আমাদের এলাকায় পাগল বেশে ঘুরতে দেখেছি। এলাকাবাসীর পক্ষে স্থানীয় ইউপি সদস্যা মোছা. খাদিজা বিবি ও আমিরন বিবি একবাক্যে বলেন, রোহিঙ্গা হোক আর বাচ্চা ধরা হোক, তারে তো আমরা চোখে দেখিনি। তবে গত কিছুদিন ধরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দেখে বিশ্বাস না করলেও আজ আমাদের বিশ্বাস করতে হচ্ছে সত্যিই ছেলে ধরা ঢুকেছে আমাদের গ্রামে। আমরা পুলিশের কাছে দাবি জানায় এ বিষয়ে গোয়েন্দা দিয়ে অধিকতর তদন্ত করুন এবং গুজব বলে অবেহলা করবেন না।
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান (২) ডালিম কুমার ঘরামী সাংবাদিকদের বলেন, এখানকার বিট ইনচার্জ এর সাথে আমার ফোনে কথা হয়েছে। তিনি রাতে ঘটনাস্থলে আসেন। যদি ধরা যেতো অবশ্যই পুলিশ চুলচেরা বিশ্লেষণ করে তার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতো। কিছু জায়গা থেকে এরকম সন্দেহজনক লোকদেরকে পুলিশ ধরলেও পাগল বলে আখ্যায়িত করে গুজব বলে উড়িয়ে দিচ্ছে। যদি এরা সবাই পাগল হয় তবে কেন হঠাৎ রাতের বেলা এতো পাগলের আনাগোনা। হোক তারা রোহিঙ্গা কিংবা পাগল। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই গ্রামের সমস্ত মানুষ ও পরিবারের মাঝে ভীতির কাজ করছে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ থাকবে যেখানেই অপরিচিত মানুষদের আনাগোনা দেখা যাবে সাথে সাথেই তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এদিকে, কালিগঞ্জের ধলবাড়িয়ায় মায়ের কাছ থেকে শিশু ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেছে এক অজ্ঞাত ছিনতাইকারী। সোমবার (১৩ মে) তেঘরিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
ওই গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে শিশু তোহাকে তার মা আফসানা বেগম (২২) নিজেই ছিনতাইকারীর হাত থেকে উদ্ধার করেন।
আফসানা বেগম জানান, সকাল ১০টার দিকে তার বাড়ি থেকে ১ কি.মি. দূরে বাকি সরদারের বাড়িতে টিকা দান কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন তিনি। কিছুদূর যাওয়ার পর একজন অচেনা লোক তার পিছু নেয়। পথিমধ্যে দিলু ময়রার বাড়ি সংলগ্ন গেলে জনশূন্য রাস্তায় লোকটি হঠাৎ শিশু তোহাকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। কিছু সময় ধস্তাধস্তির পর ছিনতাইকারী ব্যর্থ হলে আমাকে কিল ঘুষি মেরে পালিয়ে যায়।
তিনিও এ ব্যাপারে অধিকতর তদন্ত করার দাবি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *