ঢাকাSaturday , 11 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আদালতের রায় অমান্য করে জমি দখল ও ফসল কাটার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 11 May 2019, 21:47

কেঁড়াগাছি (কলারোয়া) প্রতিনিধি: আদালতের রায় অমান্য করে জমি দখল ও ফসল কাটার অভিযোগে কলারোয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার মাদরা গ্রামের মুনুছুর আলীর ছেলে আলাউদ্দীন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আলাউদ্দীন বলেন, তার মা-খালাদের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া মাদরা গ্রামের ২৯৬ ও ২৯৮নং খতিয়ানের ৩০৬ দাগের ৪১শতক জমি তিনি ভোগদখল করে আসছিলেন। কিন্তু তার মামা একই গ্রামের মালেক ম-লের ছেলে জাকির হোসেন বাদী হয়ে তার বোনদের অর্থাৎ আলাউদ্দীনের মা-খালাদের নামে সাতক্ষীরা কোর্টে দেওয়ানী মামলা (নং-৩৫/১৪) করে। সেই মামলায় জাকির হোসেন পরাজিত হন। তবুও পরবর্তীতে ওই রায়ের বিরুদ্ধে দেওয়ানী আপিল (নং-৮৯/১৮) করলে গত ১৯ মার্চ আবারও সেই রায় বহাল থাকে।
তিনি আরও বলেন, শুধু তাই নয়, বছর ছয়েক আগে তৎকালীন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বরদের মাধ্যমে শালিসি বৈঠকে সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিরোধপূর্ণ সেই জমি মা-খালাদের দখলে বহাল ছিলো এবং আলাউদ্দীন তার তিন মামাকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন। কিন্তু বর্তমানে সেই শালিস ও বিজ্ঞ আদালতের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শনিবার বোন-ভাগ্নেদের দখলে থাকা জমিতে রোপনকৃত ধান কেটে নিয়েছেন মামারা। এমনকি ভাগ্নের বাড়ির উঠানে থাকা ধানও জোরপূর্বক নিয়ে যায় তারা। পাশাপাশি ওই জমির একপাশে থাকা ভাড়া দেয়া ৮টি টিনের ছাউনির কাঠের দোকান দখলের পায়তারা করে দোকানদারদের ৩দিনের মধ্যে দোকান ফাঁকা করে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন তারা। একই সাথে তার পরিবারকেও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।
এ ঘটনায় আলাউদ্দীন বাদী হয়ে কলারোয়া থানার মাদরা গ্রামের মালেক ম-লের ছেলে জাকির হোসেন, কলিম ম-ল, ফজলু ম-লসহ ৭জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী খাদিজা খাতুন ও বোন রেহেনা খাতুন।
এদিকে অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে তদন্তের জন্য পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *