সাতক্ষীরা উপকূলে ছয়শ কাঁচা ঘর-বাড়ি আংশিক বিধ্বস্ত
ডেস্ক রিপোর্ট: ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাতক্ষীরা উপকূলের প্রায় ছয়শ কাঁচা ঘর-বাড়ি আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া জেলার দুই হাজার হেক্টর ফসলি জমি এবং শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার প্রায় ৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের আংশিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
এদিকে, জেলরা শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের গাইনবাড়ি আশ্রয় কেন্দ্রে আয়না মতি বিবি (৯২) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত কওছার আলীর স্ত্রী। তিনি অসুস্থ ছিলেন। আশ্রয় কেন্দ্রে উঠার পর রাত পৌনে ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীর কুড়িকাউনিয়া ও প্রতাপনগর এবং দেবহাটা উপজেলার খানজিয়া নামক স্থানে ইছামতী নদীর বেঁড়িবাধে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে।
ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও পদ্মপুকুরের কয়েকটি পয়েন্টের বেড়িবাঁধ।
শুক্রবার (৩ মে) রাতভর জেলাব্যাপী ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হওয়ায় আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝরে পড়েছে ফলন্ত আম।
তবে, শনিবার (৪ মে) সকাল থেকে রৌদ্রউজ্জ্বল আবহাওয়া দেখা দেওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাই নেওয়া দেড় লক্ষাধিক মানুষ ঘরে ফিরেছে। যদিও কিছুক্ষণ পর পর আকাশ গুমোট রূপ ধারণ করছে। বইছে দমকা হাওয়া।
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ছয়শ কাঁচা ঘর-বাড়ি আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া জেলায় ২ হাজার হেক্টর ফসলি জমি এবং শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার ৫ কিলোমিটার বেঁড়িবাধের আংশিক ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরো জানান, দুর্যোগ কবলিত মানুষের মাঝে ইতোমধ্যে ২৭’শ প্যাকেট শুকনা খাবার, ৩১৬ মেট্রিক টন চাল, ১১ লক্ষ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা, ১১৭ বান টিন, গৃণ নির্মাণে ৩ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা ও ৪০ পিস শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।

Leave a Reply