ঢাকাTuesday , 30 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কৈখালীতে ভাইপোর লাঠির আঘাতে চাচা নিহত

admin
April 30, 2019 10:15 pm
Link Copied!

মো. শরিফুল ইসলাম, কৈখালী: শ্যামনগরের কৈখালীতে ভাইপোর লাঠির আঘাতে ফজলুল হক (৪৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত ফজলুল হক পশ্চিম পরানপুর গ্রামের মৃত আতিয়ার চৌকিদারের ছেলে।
নিহতের মেয়ে আকলিমা ও স্থানীয়রা জানায়, কৈখালীর পশ্চিম পরানপুর গ্রামের মো. আতিয়ার চৌকিদারের ছেলে মো. ফজলুল হক (৪৮) এবং তার আপন ভাই আ. মজিদ গাজীর মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলছিল। বিরোধ মিমাংসা করার জন্য কৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য পবিত্র কুমার মন্ডল, ইউপি সদস্য অসিম কুমার, মো. আজগার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ২৭ এপ্রিল স্থানীয় পর্যায়ে শালিস করেন। ২৭ এপ্রিলের শালিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৯ এপ্রিল বিকাল ৫টার দিকে সীমানা নির্ধারণ করার কথা। সে অনুযায়ী সোমবার বিকালে সীমানা নির্ধারণের এক পর্যায়ে উপস্থিত দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ফজলুল হকের ভাই মজিদ গাজীর ছেলে মো. জুবায়ের হোসেন (২৮) পিছন দিক হতে ফজলুল হকের মাথায় ও ঘাড়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এসময় ফজলুল হক অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে আ. মজিদ গাজী ও তার স্ত্রী ছফিরন ফজলুল হককে এলোপাতাড়ি মারতে থাকেন। এতে ফজলুল হক মারাত্মক আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শরীরিক অবস্থার অবনতি দেখে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রেফার করেন। কিন্তু সেখানে ফজলুল হকের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেলে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২৯ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ফজলুল হকের মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে কৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য পবিত্র কুমার মন্ডল মোবাইল ফোনে জানান, তাদের উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলছিল। তাই আমরা গত ২৭ এপ্রিল স্থানীয় পর্যায়ে মিমাংসার জন্য বসাবসি করি এবং মিমাংসার এক পর্যায়ে বিচারের রায় অনুযায়ী ২৯ এপ্রিল বিকাল ৫টার দিকে আমি, সাবেক মেম্বর মো. আজিজুর রহমান, বর্তমান ইউপি সদস্য অসিম কুমার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. কেরামত আলিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিলে সীমানা নির্ধারণ করছিলাম। এমন সময় তাদের দু’পক্ষের মধ্যে তর্কতর্কি শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে মজিদ গাজীর ছেলে মো. জুবায়ের হোসেন পিছন দিক হতে ফজলুল হকের মাথায় রড দিয়ে বাড়ি দিলে ফজলুল হক মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাবিল হোসেন বলেন, এঘটনায় নিহতের স্ত্রী রহিমা বেগম শ্যামনগর থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।