ঢাকাTuesday , 30 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ!

admin ঢাকা
আপডেট: 30 April 2019, 22:13

এমএ মামুন, দেবহাটা (সদর): দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এক কর্মচারীর পেনশনের টাকা তুলতে লক্ষ টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে একই দপ্তরের এক অফিস সহকারী বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী কর্মচারী আকবার আলী জানান, তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এমএলএসএস হিসাবে চাকুরী করে সম্প্রতি অবসরে চলে যান। পেনশনের টাকা নেওয়ার জন্য কাগজপত্র রেডি করতে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপরেটর তানভীরের নিকট গেলে তিনি নৈশ প্রহরী আনিছুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন (নৈশ প্রহরী হলেও ওই ব্যক্তি অফিস সহকারীর দায়িত্ব পালন করছেন)। নৈশ প্রহরী আনিছুর রহমানের কাছে গেলে কাগজপত্র ঠিক করতে ১২ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। আনিছুরের টাকা দাবি করার বিষয়ে স্টোর কিপার রমেশ জানতে পেরে বলেন, ওদের দু-পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে ফাইল ঠিক করে নেন। এসময় আনিছুরকে দাবিকৃত ঘুষের ৯ হাজার টাকা দেওয়া হয়। তারপর আনিছুর একলক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এ সময় আনিছুর হুমকি দিয়ে বলেন, একলক্ষ টাকার এক পঁয়সা কম দিলে পেনশনের টাকা উঠাতে পারবেন না। পরে পেনশনের টাকা উত্তোলনের সময় ঘুষ হিসেবে আনিছুর ও তানভীরকে দাবিকৃত টাকা দেওয়া লাগে। বিষয়টি লোকমুখে অফিসের বিভিন্ন কর্মচারীদের কানে গেলে স্থানীয় মজিদ নামের একব্যক্তির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ঘুষের ৫০ হাজার টাকা ফেরৎ দেন তারা এবং এক সপ্তাহ পরে আরো ২০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা জানায় নৈশ প্রহরী আনিছুর ও অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর তানভীর।
এ বিষয়ে নৈশ প্রহরী আনিছুর রহমানের কাছে ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আকবার এক লক্ষ বার হাজার টাকার কথা বলছে। সেটা পুরোপুরি সঠিক নয়। আকবার আলীর পেনশনের টাকা উঠানোর জন্য তার নিকট থেকে ৭০ হাজার টাকা নিয়েছি। উক্ত টাকা থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে দিয়েছি এবং বাকি বিশ হাজার টাকা এক সপ্তাহ পরে দিয়ে দেব। তবে ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঘুষ নিয়ে অন্যায় করে ফেলেছি।
অন্য অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপরেটর তানভীরের কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমি কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেয়নি। তাছাড়া এবিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারবো না। কিন্তু তার কিছু সময় পরে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে দিয়ে বিষয়টি ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. রনজিত কুমার রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *