এলসির টাকাসহ আটক করে ফেনসিডিল দিয়ে চালান! বিজিবির কর্মকাণ্ডে আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা
ভোমরা স্থল বন্দরের বাশকল এলাকা থেকে এলসির টাকাসহ এক কর্মচারীকে আটক করে ফেনসিডিলসহ চালান দেওয়ায় ঘটনায় বিজিবির সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়নের উপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোমরা স্থল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমদানি-রপ্তানিকারক মো. শামীম হোসেন, শামীম এন্টারপ্রাইজ নামে দীর্ঘদিন সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তিনি ওইদিন তার অফিসের কর্মচারী মো. রাজুকে দিয়ে ৭ লক্ষ টাকা এলসি করার জন্য ন্যাশনাল ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখায় ভাউচারসহ পাঠান।
রাজু টাকাসহ ভোমরা বাঁশকল এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই টহলরত বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে। এসময় রাজুর কাছে ব্যাংকের জমা ভাউচার ও টাকার ফিগার ছিলো। কিন্তু তারপরও বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে ৭ লক্ষ টাকা কেড়ে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে এবং ২ বোতল ফেনসিডিলসহ রাজুকে আটক দেখায়। টাকা থানায় জমা দিয়েছে বিজিবি। সে সময় রাজু’র কাছে টাকা ছাড়া আর কিছুই ছিলো না।
মামলায় বিজিবি উল্লেখ করেছে, রাজুকে সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। অথচ বাঁশকলের সামনে আটকের বিষয়টি স্থানীয় অনেকেই দেখেছেন যার প্রমাণ আছে। বিজিবি’র এধরনের কর্মকা-ে আতংকিত হয়ে পড়েছেন ভোমরাস্থল বন্দরের আমদানি রপ্তানিকাররা।
ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিজিবি’র এধরনের আগ্রাসনমূলক কর্মকা- অব্যাহত থাকলে ভোমরায় ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। সাধারণ মানুষ বিনা কারণে হয়রানি হবে। এবিষয়ে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ীরা।
উল্লেখ্য,উক্ত আমদানিকারক মো. শামীম হোসেন তার ব্যবসায়িক কাগজপত্র নিয়ে ভোমরা বিজিবি ক্যাম্পে যান। কিন্তু সেখানে তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Leave a Reply