ঢাকাSunday , 28 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

শার্শায় আইন অমান্য করে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ইট ভাটা

admin ঢাকা
আপডেট: 28 April 2019, 21:29

শাহরিয়ার হুসাইন, শার্শা: যশোরের শার্শায় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন মানছেন না ইট ভাটা মালিকরা। সরকারি নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ইট ভাটা। প্রশাসনের সহযোগিতায় অনাবাদি জমির পরিবর্তে তিন ফসলি জমিতে ইট প্রস্তুত ও ভাটা তৈরির লাইসেন্স প্রদান করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তিন ফসলি জমির মাটি কেটে ইট তৈরির কাজে লাগাচ্ছে। এতে কমছে কৃষি জমি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় প্রশাসন তিন ফসলি জমিতে ইট ভাটা নির্মাণের লাইসেন্স প্রদান করেছে। লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত ইট তৈরি না করার বিধান থাকলেও একবার লাইসেন্স নেওয়ার পরে ভাটা মালিকরা প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়ন না করেই চালাচ্ছেন ইট তৈরির কাজ। ফলে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স নেই ৮০% ভাটা মালিকের। অধিকাংশ ভাটায় একশ ২০ ফুট উঁচু চিমনী ব্যবহার করছে।
এদিকে, উপজেলায় প্রতিটি ইট ভাটা প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় গ্রাম্য সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী ও বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সকল গ্রাম্য সড়ক সংস্কার ও পুনঃনির্মাণ করা হচ্ছে। অথচ এসব গ্রাম্য সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত ট্রাক ও ট্রাক্টরের মাধ্যমে ৫-৬ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহনের পরিবর্তে ১৫-২০ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহন করছে। অতিরিক্ত ইট ও মাটিবাহী ট্রাক চলাচলের ফলে গ্রাম্য সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্য কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ফারজানা জান্নাত স্বাক্ষরিত পত্রে জানা গেছে, যশোর জেলার শার্শায় কাগজ কলমে ১৪টি ভাটা থাকার কথা অথচ বাস্তবে আছে ৩৪টি। প্রকৃত পক্ষে উপজেলায় অতিরিক্ত ২০টি ইট ভাটার কোনো খবরই রাখে না প্রশাসন। ইট ভাটায় ইট প্রস্তুত হচ্ছে অথচ লাইসেন্স নেই। শার্শা মেসার্স হক ব্রিকস্, রুপালি ব্রিকস্, রুহু ব্রিকস্, অর্নব ব্রিকস্ ও মুন্নি অটো ব্রিকসসহ ২০টি ইট ভাটার লাইসেন্স নেই। প্রতিটি ভাটা ২০-৫০ বিঘা ফসলি জমিতে নির্মাণ করে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সব কিছু জানা সত্ত্বেও এ সকল অবৈধ ইট ভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তিন ফসলি জমিতে ইট ভাটা নির্মাণ লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি সাধারণ জনগণের নিকট প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে দেখা দিয়েছে।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, অচিরেই অবৈধ ইট ভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *