ডেস্ক রিপোর্ট: শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ভোমরা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে ভোমরা স্থল বন্দর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত গণশুনানীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বন্দরের সমস্যা ও সংকট নিরসনে শুনানী গ্রহণ করেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের যুগ্ম সচিব (ট্রাফিক) ড. শেখ আলমগীর হোসেন। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন, যুগ্ম সচিব হাওলাদার জাকির হোসেন।
গণশুনানীতে ভোমরাস্থল বন্দরের উপ-পরিচালক রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার ইলতুৎমিশ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপি, বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক মামুন হোসেন, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান, ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এইচ.এম আরাফাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাছিম, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক এএসএম মাকছুদ খান, ৩৩ বিজিবি’র ভোমরা ক্যাম্পের হাবিলদার বিশ^জিত প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ব্যবসায়িক সুবিধার্থে বন্দর ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা প্রয়োজন। তা না হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সকাল ১০টায় বন্দর চালু হয়ে ৬টায় বন্ধ হচ্ছে। এত অল্প সময়ে স্বল্প সংখ্যক গাড়ি প্রবেশ করতে পারে। আর ওপারের প্রবেশের অপেক্ষায় শতশত গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। আবার পরিমাপের জন্য ২টি স্কেল থাকলেও একটি সারা বছরই বন্ধ থাকে। অথচ এখানে প্রয়োজন ৫টি স্কেল। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া বন্দরে প্রবেশ করে কেউ বাথরুম ব্যবহার করুক বা না করুক গাড়ীপ্রতি জোরপূর্বক বাথরুমের জন্য ১০ টাকা আদায় করা হয়। এ বিষয়ে উপস্থিত সকলেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিকারের দাবি জানান।
অন্যদিকে, রাতে বন্দরে গাড়ী ঢুকালেই জোরপূর্বক নাইট চার্জ আদায় করা হয়। যা অন্য বন্দরে করা হয় না। সম্প্রতি ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২টি ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করা হলেও ব্যবসায়ীরা সেটি ব্যবহার করতে পারে না। অথচ ওয়্যারহাউজের জন্য ঠিকই টাকা আদায় করা হয়। লেবার বিল দুইবার নেওয়া হয়।
শুনানী গ্রহণ শেষে যুগ্ম সচিব ড. শেখ আলমগীর হোসেন বলেন, ধীরে ধীরে আমরা সকল সংকট কাটিয়ে উঠবো। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে ভোমরাবন্দরও এগিয়ে যাবে। আমরা চেষ্টা করছি সকল বন্দরের সকল সমস্যা কাটিয়ে আধুনিক বন্দরে রূপান্তর করার।
