ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে কলারোয়ার খোরদোয় বাবা ও দুই চাচা হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে খোরদো এলাকার জয়নুদ্দিন গাজির ছেলে আনারুল এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
লিখিত বক্তব্যে আনারুল বলেন, খোরদো মৌজায় ৬৬ শতক জমি পৈতৃক ও খরিদ সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ১৯৭০ সাল থেকে তিনি ও তার পরিবার ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু তার চাচাতো চাচা খোরদোর আমজাদ গাজী, সাবুর গাজী, ফজলুল গাজী, লিটন গাজী, খোকন ওরফে বিল্লাল, আনের গাজী, মো. মাসুম গাজী ওই জমি দখলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তাদের সহায়তা করছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। অভিযোগ করে তিনি বলেন, ওই জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তারা আনারুলের পিতা জয়নুদ্দিন গাজীকে মারপিট করলে তিনি মারা যান। ২০১৪ সালে তারাই আনারুলের চাচা আয়েনউদ্দিন গাজীকে মারধর করে। এতে তিনিও মারা যান। তিনি জানান, ওই জমিতেই তার বাবা চাচা ও দাদা দাদিকে কবরস্থ করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে আনারুল বলেন, গত ১৩ এপ্রিল ওই সম্পত্তিতে থাকা আতা গাছের ডাল কাটেন আমজাদ হোসেন। এতে আমজাদের ভাই বজলুর রহমান বাধা দিয়ে বলেন এ জমিতে ১৪৫ ধারা জারি রয়েছে। আতা গাছের ডাল কেটে তুমি আইন ভঙ্গ করেছো। আনারুল বলেন, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমজাদ তার আপন ভাই বজলুর রহমানের মাথায় ও দেহে সজোরে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই মারা যান বজলুর রহমান। পরে বিপদ এড়াতে তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন এই প্রচার দিয়ে আমজাদ বিষয়টি ধামাচাপা দিয়েছে। বজলুর রহমানের পরিবারও আমজাদ বাহিনীর সন্ত্রাসের মুখে এ নিয়ে মামলা করতে সাহস করেনি। আমজাদ বাহিনী তার স্ত্রী ও ছেলেকে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে।
আনারুল বলেন, অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল নেওয়ার জন্য তারা একর পর একজনকে খুন করছে। নিরপরাধ ব্যক্তিদের যারা হত্যা করলো, তারা যেনো আইনের জাল থেকে মুক্ত হতে না পারে।
আনারুল তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
