ঢাকাSaturday , 20 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কলারোয়ায় পৈত্রিক জমিতে ঘর নির্মাণে বাধাদানের অভিযোগ

admin ঢাকা
আপডেট: 20 April 2019, 21:37

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় বাঁধা দিয়ে রেকর্ডীয় জমিতে এক কৃষকের ঘর নির্মাণ বন্ধ করে দিয়েছে রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা। উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ ক্ষেত্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়, ক্ষেত্রপাড়া মৌজার ১৪৭৪নং খতিয়ানের জমির রেকর্ডীয় মালিক আনছার আলী। ডাঙ্গা শ্রেণির ওই জমিতে তিনি দীর্ঘকাল বিভিন্ন ফলজ গাছ গাছালি লাগিয়ে ও বাঁশ বাগান তৈরী করে ভোগ দখল করে আসছে।
গত বুধবার সকালে সরসকাটি-ধানদিয়া পাকা রাস্তার রামকৃষ্ণপুর/কিরনমালা মোড়ে পকা দোকানঘর নির্মাণের জন্য ভিত খুড়ে কাজ শুরু করে। ইট দিয়ে ভিতের দেয়ালের গাঁথুনি প্রায় শেষ পর্যায়ে আসলে এলাকার রাজনৈতিক প্রভাবশালী সেলিম সরদার, মোখলেছ, সালমান সরকার, লাভলু গাজী হ তাদের পক্ষের লোকজন ঘর নির্মাণে বাঁধা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে ওই জমি তারা সরকারি খাস বলে বিভিন্ন মহলে মিথ্যা অভিযোগ করে।
আনছার আলীর ছেলে নাসির উদ্দীন ও কওছার জানান, তাদের রেকর্ডীয় জমির মধ্যে কোন খাস জমি নেই। দীর্ঘকাল ভোগ দখল করে আসা জমিতে তারা দোকান ঘর নির্মাণ করছে। তাদের আর্থিকভাবে ক্ষয় ক্ষতি করার জন্য একটি মহল মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে তাদের ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। তারা আরো জানান, ওই স্থানে রাস্তার মোড় থাকায় রাস্তাটি আকা বাকা। সেখানে খাস জমি থাকলেও তা সহিদুল সরদারের ছেলে ও কাশেম গাজীর দখলে চলে গেছে। তারা সেখানে রাইস মিল ও পাকা দোকান ঘর করে ব্যবসা করছে।
স্থানীয় আকছেদ আলীর ছেলে বাবু, খলিলসহ অনেকে জানান, এখানে খাস জমি আছে কিনা তা তাদের জানা নেই। তবে ঘর করার সময় মাপ জরিপ করে কওছার ও নাসির তাদের নিজেদের পৈত্রিক জমি পাঁচ ফুট ফেলে রেখে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করে। আইনগতভাবে তারা খাস জমি দখল করেনি।
রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত সালামতের ছেলে মাপ জরিপকারী (আমিন) রবিউল ইসলাম জানান, তিনি অভিজ্ঞ আমিন আজিবরকে সাথে নিয়ে একাধিকবার ওই জমিটি মাপ জরিপ করেছেন। ম্যাপ অনুযায়ী তিন চারটি দাগ খতিয়ান হাল রেকর্ডের পর একটিতে পরিণত হয়েছে। মোট জমির প্লটে একটু বেশী থাকতে পারে। তবে তারা খাস জমি দখলে নেয়নি। জমির কাজগপত্র অনুযায়ী আনছার আলী গংরা সঠিক আছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) জয়দেব সাহা জানান, একটি পক্ষ হয়রানি করার জন্য আনছার আলীর ছেলেদের বিপক্ষে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে। প্রকৃত পক্ষে জমির দলিল ও বর্তমান রেকর্ড অনুযায়ী আনছারের ছেলে কওছার ও নাসির তাদের ভোগ দখলীয় জমিতে দোকন ঘর নির্মাণ করছে। বর্তমানে নির্মাণ কাজ বন্ধ আছে। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে মাপ জরিপ করে বিষয়টি মিমাংসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *