ঢাকাSaturday , 13 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

তালায় গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

admin ঢাকা
আপডেট: 13 April 2019, 22:21

সৌমেন মজুমদার, তালা: তালায় ভূমিহীন শরিফুলের ভোগদখলীয় সরকারি জায়গায় লাগানো গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের চাঁদকাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে চাদকাটি গ্রামের মৃত রহিম বক্স মোড়লের ছেলে মো. কাশেম মোড়ল (৫৫) ও তার ছেলে দিদার মোড়ল (৩২) কে বিবাদী করে তালা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, চাাঁদকাটি বাজার হইতে উত্তর দিকে ইটের সোলিং রাস্তার পাশে শরিফুল প্রায় ৫ শতাংশ জায়গা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. আয়ুব আলীর লিখিত সুপারিশে বসত ঘর নির্মাণ করে। কিন্তু ওই জায়গার দুই পাশের জমির মালিক কাশেম মোড়ল বাধা দিলে বসত ঘর ভেঙ্গে নিতে বাধ্য হয় শরিফুল। পরে পরিত্যাক্ত জায়গায় আবারও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনুমতিতে ভূমিহীন শরিফুল বাঁশ, মেহগনী, নারিকেল, কাঠাল, কলা, লিচু, জাম, পেঁপেসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করে প্রায় ১৫ বছর ভোগ-দখল করে আসছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী জমির মালিক কাশেম মোড়ল কাউকে না জানিয়ে ওই জমিতে রোপণ করা সকল প্রজাতির গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শাহাবুদ্দিন দালাল, রাজ্জাক শেখ, মোমেনা বিবি, রশিদা বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাজ্জাদ মোড়লসহ আরও অনেকেই জানান, শরিফুল একজন ভূমিহীন। এলাকার মানুষ তাকে পরিত্যাক্ত রাস্তাটি ভোগ-দখলের অনুমতি দিয়ে সেখানে ঘর বেধে দেয়। পরে কাশেম রাস্তা করার প্রস্তাব দিলে বসত ঘর তুলে নেয় শরিফুল। কিন্তু কাশেম তার নিজ জমির সাথে ওই জমি এক করে নেওয়ার পায়তারা চালালে আবারও শরিফুলকে সেখানে গাছ লাগিয়ে ভোগদখলের সুযোগ দেওয়া হয়। তৎকালীন মাগুরা ইউনিয়ন তহশীলদার হাসানুর তালুকদার সরেজমিনে এসে মাপ-জরিপ করে মৌখিক ভাবে শরিফুলকে ভোগ-দখলের অনুমতি দিয়ে যায়। সেখান থেকে সে ভোগ-দখল করে আসছে। বৃহস্পতিবার সকালে কাশেম মোড়ল ও তার ছেলে দিদার মোড়ল কাউকে কিছু না বলে গাছগুলো কেটে সাবাড় করে দেয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাশেম মোড়ল এর সাথে কথা বলতে চাইলে প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে রাজি হয়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, ঘটনাটি দুঃখজনক। কাউকে কিছু না বলে গাছগুলো এমন ভাবে কাটা মোটেও ঠিক হয়নি। এর সঠিক বিচার হওয়া দরকার কারণ সরকারি জায়গার গাছ এমন ভাবে কাটার অধিকার একমাত্র সরকারের ছাড়া আর কারো নেই।
তালা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী রাসেল জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এএসআই মনির কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *