Sunday, 6 September 2026

রইচপুরের সিটি এগ্রো কমপ্লেক্স দখলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

admin ঢাকা
আপডেট: 10 April 2019, 20:27

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রইচপুরের সিটি এগ্রো কমপ্লেক্স লিমিটেডের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা ও সেখানকার কয়েকটি কক্ষে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে শহরের ইটাগাছা এলাকার মৃত ঈমান আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম এই অভিযোগ করেন।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার স্বামীর ক্রয়কৃত সম্পত্তি, যা বর্তমানে সিটি এগ্রো কমপে¬ক্স লি. (রেজি. নং- ৫২৭৪৩(৩০৩৮)/২০০৪)। আমি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। রইচপুর এলাকার একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও লাঠিয়াল বাহিনী জোর পূর্বক ওই কমপে¬ক্স দখলে নেওয়ার পায়তারা করে আসছে। সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান ইটাগাছা এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন কালুর নেতৃত্বে কুদ্দুস গং আমার কমপ্লে¬ক্সে বিভিন্ন সময় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে লুটপাট চালায়। ২০১৮ সালের ৩১ আগস্ট রাতে আমার দুই কর্মচারী সাদ্দাম হোসেন ও আসাদুলকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ সব ঘটনায় আমি থানায় জিডি ও মামলা করি। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার মধ্য রাতে ৭ কক্ষ বিশিষ্ট ওই কমপ্লেক্সে সন্ত্রাসী বাহিনী আগুন লাগিয়ে দেয়। আমার কমপ্লেক্সের কর্মচারী আব্দুল বারেকের ডাক চিৎকারে আমরা আগুন নিভানোর চেষ্টা করি। আগুন নিয়ন্ত্রণে না আনতে পেরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস ভোর রাতে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ৫টি কক্ষ আগুনে পুড়ে ভস্মীভুত হয়। সন্ত্রাসীদের দেয়া আগুনে আমার ১০ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
তিনি বলেন, আমার স্বামীর ক্রয়কৃত একশ একর সম্পত্তি ভোগ দখলে থাকা অবস্থায় সরকারের সাথে সর্বোচ্চ আদালতে মামলা চলমান। অথচ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু এই সম্পত্তিতে বেআইনীভাবে অবৈধ প্রবেশ করে মাছ ও ধান লুটপাট করে। আমার সন্তানেরা বাধা দিতে গেলে তাদের উপর তারা হামলা চালায়। আমিসহ আমার সন্তানদের নামে তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে বার বার হয়রানি করছে। আমার পরিবারকে তারা বিভিন্ন সময় খুন-জখম করার হুমকি দেয়। যার জের হিসেবে তারা এই অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে।
এমতাবস্থায় বিধবা রহিমা বেগম তার সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, ন্যায় বিচার এবং সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, মেয়ে রুনা পারভীন ও তার আত্মীয় ফরিদ হোসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *