ঢাকাThursday , 4 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মণিরামপুরে ভুয়া দুদক কর্মকর্তা আটক

admin ঢাকা
আপডেট: 4 April 2019, 21:59

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: মণিরামপুরে মিজানুর রহমান (৪০) নামে এক ভুয়া দুদক কর্মকর্তা আটক হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চিনাটোলা বাজার থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। আটক মিজানুর রহমান উপজেলার শ্যামকূড় ইউনিয়নের মুজগুন্নী গ্রামের সামাদ বিশ^াসের ছেলে। স্থানীয়রা তাকে চিটার মিজান নামেই চেনেন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ওয়ারল্যাস হাতে নিয়ে মিজানুর রহমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান উল্লাহ শরিফী’র কাছে নিজেকে দুদকের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে শ্যামকূড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামানের কিছু দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ করেন। এ সময় ওই যুবক চিনাটোলা বাজারে চেয়ারম্যান দুর্নীতি করে অবৈধভাবে ব্যক্তি মালিকানায় সরকারি জমিতে ভবন নির্মাণ এবং বাজারের ভিতর পোল্ট্রির দোকান করায় দুর্গন্ধে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইউএনও’কে বলেন। এ সময় ইউএনও বিষয়টি আমলে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাবেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানালে ওই যুবক চিনাটোলা বাজারে যেয়ে পূর্বেই অবস্থান নেন। ঘটনাস্থলে যেয়ে ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী’র ওই যুবকের কথাবার্তা ও গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয়। তিনি তখন ঘটনাস্থলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনিকে, মণিরামপুর থানার ওসি সহিদুল ইসলাম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আব্বাস উদ্দীন ও মণিরামপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেনকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং সবাইকে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করে ওই যুবক ভুয়া দুদক কর্মকর্তা হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। জিজ্ঞসাবাদে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওসি সহিদুল ইসলামের কাছে আটক মিজান জানান, তিনি দুদকের কোন কর্মকর্তা নন। এ সময় তিনি দুসস নামের একটি সংগঠনের পরিচালকের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করেন। তার ব্যবহৃত ওয়ারলেসটি ৫ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানান। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান জানান, আটক যুবক মিজানুর চিনাটোলা বাজারে অনেক আগে দর্জির কাজ করতো। সে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। তাকে এলাকায় সবাই চিটার হিসেবে জানেন। সে এ ধরনের ভুয়া পরিচয় দিয়ে চাকরি দেয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে উৎসুক উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় জনগণ দাবি করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *