ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা শহরের তালতলায় প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলার বাদীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিশুর পিতা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তালতলা এলাকার লতিফ ও তার স্ত্রী ইটভাটায় কাজ করে। কাজে যাওয়ার সময় তারা প্রতিবন্ধী মেয়েটি বাড়িতে রেখে যায়। বাড়িতে কেউ না থাকায় তালতলা এলাকার ইন্তাজ আলীর ছেলে ধর্ষক সানজিদুল ইসলাম চানাচুর খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে মেয়েটিকে জোর পূর্বক তার বাড়িতে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়ের আত্মচিৎকারে এলাকার লোকজন সাজেদুলের বাড়িতে যেয়ে খাটের তলা থেকে মেয়েটিকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়রা তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সে সময় মেয়েটি হাসপাতালে নিয়ে যেতে সাজেদুল ও তার বাহিনী বাঁধা দেয় এবং তাদের ব্যাপক মারপিট করে।
এঘটনায় ওই শিশুর পিতা বাদী হয়ে সাতক্ষীরা থানায় একটি এজাহার দায়ের করে। পরে পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করে। কিন্তু গত ১৫ দিন পূর্বে ধর্ষক সানজিদুল জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি আসে। এরপর থেকে প্রায়ই মামলার বাদী ধর্ষিতার পিতা আব্দুল লতিফকে খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করছে।
ধর্ষিতার পিতা আব্দুল লতিফ জানান, তার মেয়ে এখনো অসুস্থ। অর্থের অভাবে ভালো চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। অথচ ওই লম্পট জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তার মাতা জায়েদা খাতুন ও স্বামী পরিত্যক্তা বোন সুমা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মোবাইল দিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি প্রদর্শন করছে। মামলা তুলে না নিলে তাকেসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের খুন জখমের হুমকি দিচ্ছে। এ বিষয়ে তার পরিবারের নিরাপত্তা এবং ওই ধর্ষকের কঠোর শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
