ঢাকাSaturday , 23 February 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

ভাগ্যের চাকা বদলাতে গিয়ে লাশ হয়ে দেশে ফিরলেন মণিরামপুরের আতিয়ার

admin ঢাকা
আপডেট: 23 February 2019, 21:16

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: নিজের ভাগ্যের চাকা বদলাতে প্রায় দুই যুগ আগে মালায়েশিয়ায় পাড়ি জমান মণিরামপুরের জালালপুর গ্রামের ইমান আলী বিশ্বাসের ছোট ছেলে আতিয়ার রহমান (৪৬)। অবশেষে তিনি শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) লাশ হয়ে দেশে ফেরেন।
সূত্র জানায়, ১৯৯২ সালে ভাগ্যের চাকা বদলাতে সুদঝর মালয়েশিয়ায় পাড়ি দেন আতিয়ার রহমান। সেই থেকে প্রায় ২৬ বছর বিদেশের মাটিতে জীবন অতিবাহিত করেন তিনি। তার ইচ্ছা ছিল এক মাত্র ছেলের জন্য একটি গাড়ি ক্রয়ের টাকা জোগাড় করে আগামী ঈদে বাড়িতে এসে আর বিদেশে যাবেন না। কিন্তু তার সেই ইচ্ছা পূরণ হলো না। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার সুবাংজয়া নামক স্থানে একটি কোম্পানিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি তিনি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপজনিত রোগে ভুগছিলেন।
মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নের জালালপুর ওয়ার্ডের সদস্য মুনছুর রহমান জানান, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতেই মালায়েশিয়ায় নিহত আতিয়ার রহমানের মৃত্যুর সংবাদ তার স্বজনরা জানতে পারেন। এরপর থেকে প্রিয়জনকে হারানোর বেদনায় তার পরিবারে চলছিলো শোকের মাতম। স্বজনরা অপেক্ষার প্রহর গুণতে থাকেন-কবে প্রিয় স্বজনের লাশ দেশে আনা হবে। এক নজর প্রিয়জনের মুখখানি দেখে পৈত্রিক কবরখানায় দাফন করবে। অবশেষে প্রবাসে নিহত মণিরামপুরের খেদাপাড়া ইউনিয়নের বেশ পরিচিত মুখ আতিয়ার রহমানের লাশের কফিন মালায়েশিয়া থেকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে তার স্বজনরা কফিন গ্রহণ করে সড়কপথে অ্যাম্বুলেন্সযোগে শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে নিজ মাতৃভূমি উপজেলার জালালপুর গ্রামে আনেন। এরপর তার কফিন খোলা হয়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে আশপাশের বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। তাকে শেষবারের মত একনজর দেখার জন্য তার নিজ পৈত্রিক বাড়ি জালালপুরে এ সময় আত্বীয়-পরিজনসহ প্রচুর সংখ্যক এলাকাবাসী জমায়েত হন। গতকাল বিকাল ৪টায় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *