ঢাকাWednesday , 13 February 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

ভালবাসার রঙ ছড়াবে লং স্টিক গোলাপ

admin ঢাকা
আপডেট: 13 February 2019, 21:26

যশোর প্রতিনিধি: বসন্তবরণ, ভালবাসা দিবসে এবার রঙ ছড়াবে লং স্টিক রোজ জাতের গোলাপ ফুল। নতুন জাতের ফুল চাষে অপার সম্ভাবনার ছাতছানি দেখছেন চাষীরা। ফুলের রাজধানী খ্যাত যশোরের গদখালি এলাকার ফুলচাষীরাও আশায় বুক বেঁধেছেন। উন্নত জাতের এই গোলাপ রপ্তানিযোগ্য মানের। ইতোমধ্যে চড়া দামেও তারা এই ফুল বিক্রি শুরু করেছেন। গোলাপের পাশাপাশি জারবেরা, গ্লাডিওলাস ও চন্দ্রমল্লিকা, রজনীগন্ধা ফুলের চাহিদা রয়েছে। সারাদেশের চাহিদার ৭০ শতাংশ ফুল সরবরাহ করছে যশোর অঞ্চলের চাষীরা।
ঝিকরগাছার পানিসারা গ্রামের চাষী ইসমাইল হোসেন বলেন, এক বিঘা জমিতে লং স্টিক রোজ জাতের গোলাপ ফুল চাষ করেছি। এক বছর আগে রোপন করেছি। বর্তমানে অল্প পরিমাণে ফুল পাচ্ছি। ভালবাসা দিবসে ৫শ’ পিস ফুল সরবরাহের অর্ডার পেয়েছি। প্রতিপিস ফুল ২০ টাকায় বিক্রি করছি। এই ফুলটি নতুন জাতের হওয়ায় ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দামও বেশি পাচ্ছি।
ভোক্তার চাহিদার কারণ সম্পর্কে চাষী ইসমাইল হোসেন বলেন, এই গোলাপটির বিশেষত্ব হলো পাপড়িতে ঠাঁসা, অনেকদিন পর্যন্ত থাকে। ফুল বড়, স্টিক লম্বা হয়। সাধারণত এই ফুল বিদেশে রপ্তানির জন্য আমরা চাষাবাদ করছি। দেশের চাহিদা পূরণ করে বাইরের পাঠাতে পারবো। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন আমাদের সহযোগিতা করছে। গদখালির মঠবাড়ি এলাকার চাষী ইমামুল হোসেন বলেন, ২৫ কাঠা জমিতে লং স্টিক গোলাপের চাষ করেছি। এতে ৯ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছি। এই গাছ ৭-৮ বছর পর্যন্ত ফুল দিবে। চলতি মৌসুমে লাখ টাকার গোলাপ বিক্রি করতে পারবো। নতুন জাতের এই গোলাপ ২০ টাকা পিস বিক্রি করছি। তিনি আরও বলেন, গোলাপের পাশাপাশি এক বিঘাজমিতে মল্লিকা ফুলের চাষ করেছি। ৮০ হাজার পিস ফুল বিক্রির টার্গেট রয়েছে। আশা করছি ৪ লাখ টাকার ফুল বিক্রি করতে পারবো।
পানিসারা গ্রামের চাষী আবু মুসা বলেন, সোমবার ১৬ হাজার টাকার গ্লাডিওলাস ফুল বিক্রি করেছি। প্রতি পিসের দাম পেয়েছি ৬-৮ টাকা পর্যন্ত। দাম স্থিতিশীল থাকলে তিন দিবসে লাখ টাকার ফুল বিক্রি করতে পারবো।
একই এলাকার চাষী লাল্টু রহমান বলেন, ১০ কাঠা জমিতে রজনীগন্ধা চাষ করেছি। প্রতি পিস রজনীগন্ধা ৩ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। হাড়িয়া নিমতলার চাষী নূর জাহান বলেন, রোববার ১৪ টাকা পিস দরে ৫ হাজার গোলাপ বিক্রি করেছি। দুই দিনে আরও বিক্রি হবে। ফুলের দাম সন্তোষজনক।
বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহিম বলেন, দেশের চাহিদার ৭০ শতাংশ ফুল গদখালি এলাকার চাষীরা সরবরাহ করছে। মানসম্মত ফুল উৎপাদনের চাষীরা এগিয়ে গেছে। বিশেষ দিবসগুলোতে ফুলের ব্যাপক চাহিদা থাকে। সেই চাহিদা পূরণে চাষীরা ব্যস্ত সময় পার করছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন জাতের ফুল হিসেবে লং স্টিক রোজ জাতের ফুলের চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি গ্লাডিওলাস, জারবেরা, চন্দ্রমল্লিাকা ফুলেরও চাহিদা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *