ঢাকাThursday , 9 August 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে ডুমুর

admin ঢাকা
আপডেট: 9 August 2018, 16:12

মামুনুর রশিদ, বল্লী: ডুমুর নরম ও মিষ্টি জাতীয় এক ধরণের ফল বা সবজি। এটি কেউ রান্না করে আবার কেউ খায় বেঁটে রস করে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, ওজন কমাতে, স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে, ডায়াবেটিস সমস্যায়, হাড় গঠনে, হার্ট ভাল রাখতে, পিত্ত ও আমাশয় রোগে, মেয়েদের মাসিক সমস্যায় ও জ্বরে ডুমুর খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য, রক্তশূন্যতা ও পেটের যে কোন সমস্যায় ডুমুর ওষুধের মতো কাজ করে থাকে। পাকা ডুমুর পাখিদের প্রিয় খাদ্য।
ডুমুরের বৈজ্ঞানিক নাম ঋরপঁং। এটি আঞ্জির নামেই বেশি পরিচিত। এর ইংরেজি নাম ঋরম। আরবিতে ত্বীন ও হিন্দি, উর্দু, ফার্সি ও মারাঠি ভাষায় একে আঞ্জির বলা হয়। এর আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্য। এটি মোরসিয়ে গোত্রভুক্ত ৮৫০ টিরও অধিক কাঠ জাতীয় গাছের প্রজাতি বিশেষ।
বাংলাদেশে ডুমুর বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা না হলেও গ্রামাঞ্চলের আনাচে-কানাচে ডুমুর গাছ দেখা যায়। ডুমুর গাছ আলাদা করে রোপণ করা লাগে না। নিজে নিজেই জন্ম নেয়। ডুমুর গাছ ছয় মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।
ফলের আবরণ ভাগ খুবই পাতলা ও এর অভ্যান্তরে অনেক ছোট ছোট বীজ রয়েছে। আমাদের দেশে যে ডুমুর পাওয়া যায় সেটি ‘কাকডুমুর’ নামে পরিচিত। ফল আকারে ছোট ও খাওয়ার অযোগ্য। মূলত পাখিরাই এটা খেয়ে থাকে। তবে সাতক্ষীরার বেশ কিছু অঞ্চলে এই ফলটি তরকারি হিসেবে খাওয়া হয়।
এ ব্যাপারে বল্লী গ্রামের বাসিন্দা ছবিরুন বিবি বলেন, “ডুমুর তরকারি হিসেবে বেশ সুস্বাদু ও মজাদার একটি তরকারি। নারকেলের দুধ দিয়ে ডুমুর রান্না পরিবারের সবাই মজা করে খেয়ে থাকি। এছাড়া ডুমুর পিত্ত ও আমাশয় রোগে, রক্তশূন্যতা হলে, জ্বরের পরে ডুমুর রান্না করে খেলে ভাল উপকার পাওয়া যায়। মেয়েদের মাসিকের সময় বেশি রক্ত স্রাব হলে কচি ডুমুরের রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে খেলে ভাল উপকার হয়। আমাশয় হলে কচি ডুমুরের পাতা আতপ চালের সঙ্গে চিবিয়ে খেলে আমাশয়ে ভাল উপকার পাওয়া যায়।”
ডুমুরের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বল্লী গ্রামের বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম গাজী বলেন, “ডুমুর একটি সুন্নতি খাদ্য। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য উপাদান, ভিটামিন এ, বি, ক্যালসিয়াম, শর্করা, আয়রন ও পটাসিয়াম। যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়া ডুমুর উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে, স্তন ক্যন্সার প্রতিরোধে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে, শরীরের হাড় গঠনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া শরীরের হাড় গঠনে, হার্ট ভাল রাখতে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যায় ডুমুর রান্না করে খেলে ভাল উপকার পাওয়া যায়।”
সবমিলিয়ে ডুমুর পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। ডুমুর বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে পারিবারিক ওষুধের চাহিদাও মেটানো সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *