নূরুন্নবী ইমন, রমজাননগর: শ্যামনগরে আশ্রায়ণ-২ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
“আশ্রায়ণের অধিকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার” যার জমি আছে ঘর নাই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ” এ প্রতিপাদ্যে আশ্রায়ণ-২ প্রকল্পের সূচনা হয়। কিন্তু বাস্তবে তার ব্যতিক্রম। যেখানে একজন গরীব অসহায় ব্যক্তি বাস করার জন্য গৃহ পাচ্ছে না সেখানে আশ্রায়ণের অধিকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার বাস গৃহ ব্যবহার হচ্ছে ঘেরের বাসা হিসাবে। এমন একটি দৃশ্য চোখে পড়ে যায় মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ছোট ভেটখালী গ্রামে।
এলাকার কেরামত গাজীর ছেলে আবুল হোসেনের ১ বিঘা ১০ কাটা ঘেরের উপরে নির্মিত এ গৃহ। বাসঘরের সামনে ও ভিতরে গোবরসহ ঘেরের নানা সরঞ্জাম দেখা যায়। অসাধু ব্যক্তিদের সার্বিক সহযোগিতায়, উৎকোচ গ্রহণের মাধ্যমে শ্যামনগর উপজেলাব্যাপী অশ্রায়ণ-২ প্রকল্পে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। বহু গৃহ নির্মাণ কাজ এখন অসমাপ্ত রয়ে গেছে।
কেরামত গাজী বলেন, আমার পুত্রবধূ জেসমিনারার নামে এ ঘর পাই। আমার সাত বিঘা জমি আছে। আর দেড় বিঘা জমির উপরে এ ঘর। বর্তমানে তারা আমার ভিটায় বসবাস করছে। পরবর্তীতে এখানে আসবে। নিয়ম অনুযায়ী ৫ শতকের নিচে নিজের জমিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ উপহার পাবে। তবে কিভাবে এ ঘরটি পেল ? শুধু জেসমিনারা নয়, তার মত অনেক ব্যক্তি এভাবে মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ দিয়ে গৃহ পাচ্ছে। ইতিপূর্বে ঘর দেওয়ার নাম করে উপজেলাব্যাপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যসহ অনেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও আছে।
এবিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবুল কাসেম মোড়লের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ইউপি সদস্য আব্দুল ওহাব বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না বা আমি গৃহ নির্মাণের কোন তালিকা জমা দেইনি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
