ঢাকাThursday , 24 January 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

অনুমতি ছাড়াই ড্রিংকিং ওয়াটার উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অভিযোগ: জেলার নয়টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিএসটিআইয়ের মামলা

admin ঢাকা
আপডেট: 24 January 2019, 22:11

গাজী আসাদ: অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে ড্রিংকিং ওয়াটার উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অভিযোগে জেলার নয়টি ড্রিংকিং ওয়াটার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বিএসটিআই।
বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল আদালতে বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ এই মামলা দায়ের করে।
বিএসটিআই খুলনা অফিস সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে ড্রিংকিং ওয়াটার উৎপাদনের অভিযোগে শহরের মুজিতপুরের (নাবারুন স্কুল মোড়ের) মেসার্স শাপলা পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার, রাজার বাগানের (সরকারি কলেজ মোড়ের) মেসার্স অনির্বান পানি প্রকল্প, পুরাতন হাসপাতালের পিছনের মেসার্স জমজম বিশুদ্ধ খাবার পানি, কাটিয়া সরকার পাড়ার মেসার্স যমুনা ওয়াটার প্লান্ট, পলাশপোলের মেসার্স তৃষ্ণা পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার, ইটাগাছার মেসার্স সাতক্ষীরা পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার, সরকারি কলেজ মাঠের পাশের মেসার্স তৌফিক ড্রিংকিং ওয়াটার, কাটিয়া লস্কর পাড়ার মেসার্স বৃষ্টি পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার ও ঝাউডাঙ্গার মেসার্স খালিদ পিওর ড্রিংকিং ওয়াটারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিএসটিআই’র অনুমতি ছাড়া নিম্ন মানের খাবার পানি বাজারজাত করার অভিযোগ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এসব প্রতিষ্ঠান পানি উৎপাদনের জন্য যেসব নিয়ম-কানুন মানা দরকার তার কোনটিই মানছিলো না। তাছাড়া পানির গুণগত মান পরীক্ষা করে বিএসটিআই থেকে অনুমতি নেওয়ার কথা থাকলেও তারা সেগুলো না করে পানি উৎপাদন করছিলো। এসব প্রতিষ্ঠানের পানি উৎপাদনের মান খুবই নিম্ন। তাছাড়া তাদের কারখানাগুলো স্বাস্থ্যসম্মত না।
অবৈধভাবে ড্রিংকিং ওয়াটার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএসটিআই খুলনার সহকারি পরিচালক (সিএম) প্রকৌশলী মৃনাল কান্তি বিশ্বাস জানান, যেসব ড্রিংকিং ওয়াটার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বিএসটিআই’র অনুমতি ছাড়াই পানি উৎপাদনের অভিযোগ ছিলো। অনুমতি ছাড়া পানি উৎপাদনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। এখন আদালত যে আদেশ দিবে তাদের বিরুদ্ধে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *