ঢাকাWednesday , 16 January 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনিতে প্রাথমিকে বদলী নিয়ে নাটকীয়তা: ১৪ তারিখ সন্ধ্যায় নোটিশ, ১৫ তারিখ মেয়াদ শেষ

admin ঢাকা
আপডেট: 16 January 2019, 20:52

আশাশুনি প্রতিনিধি: অভিনব কায়দায় কারচুপি ও বাণিজ্যের মাধ্যমে ১ম দফার বদলী কার্যক্রম সম্পন্ন করলেন আশাশুনি শিক্ষা অফিসার শামছুন্নাহার। ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শিক্ষকদের বদলীর জন্য নোটিশ বোর্ডে শূন্য তালিকা প্রকাশ করা হলো আবার ১৫ জানুয়ারি ছিল আবেদনের শেষ তারিখ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষকদের বদলীর জন্য ডিসেম্বর মাসে প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভায় শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু ডিসেম্বরের সভায় কোন তালিকা প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। ডিসেম্বরের সমন্বয় সভার অনেক পরে মন্ত্রণালয় থেকে প্রধান শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বের আদেশ হয়। আদিষ্ট হয়ে শিক্ষকবৃন্দ চলতি বছর ৮-১২ জানুয়ারির মধ্যে তারা অধিকাংশই কর্মস্থলে যোগদান করেন। আবার ১৪ জানুয়ারি প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভায় শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নোটিশ বোর্ডে তালিকা প্রকাশ করে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। কিন্তু পরদিনই (১৫ জানুয়ারি) দরখাস্ত জমাদানের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রথম দফার বদলীর প্রস্তাব আজও জেলা অফিসে প্রেরণ করা হয়নি। তাহলে ২য় দফা বদলীর জন্য শূন্য পদের তালিকা কিভাবে প্রকাশ করা হল সে প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের মুখেমুখে। বদলী বাণিজ্যের পূর্ব পরিকল্পনা ছিল বলে অভিযোগ করে এক প্রধান শিক্ষক জানান, মোটা অংকের টাকার তদবিরে টিকে থাকা প্রার্থীদের কাছ থেকে অনেক আগেই তারিখ বিহীন দরখাস্ত নিয়ে রাখা হয়। দুই দফার কোন ক্ষেত্রেই প্রার্থীদের কোন দরখাস্তে প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সহকারি শিক্ষা অফিসারের কোন সুপারিশ ছিল না। শুধুমাত্র পছন্দসই প্রার্থীদের ডেকে এনে শিক্ষা অফিসে বসে সই করানো হয়েছে। এতেই শেষ নয়, শিক্ষা অফিসার শামছুন্নাহার নিজের সুবিধার্থে বদলী সংক্রান্ত পরিপত্রের ৩.৩ অনুচ্ছেদের অপব্যাখ্যা করে আবেদনকারি জেষ্ঠ্য শিক্ষকদের বদলী বঞ্চিত করেছেন।
নামপ্রকাশে একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, শামছুন্নাহার ম্যাডামের নেতৃত্বে শিক্ষা অফিস হয়রানি ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। মূলত: দুই এটিইওর বোনকে বদলী করানোর জন্যই নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে এ কাজটি করা হয়েছে। এখানে আসলেই টাকা লাগে। কোন আবেদন কোন পরামর্শ বা অফিসিয়াল যেকোন কাজে এলেই টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে যখন দুুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলছে তখন এরকম দুর্নীতিপরায়ণ অফিসারের জন্য গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। এ ব্যাপারে শিক্ষা অফিসার শামছুন্নাহার জানান, আমি নীতিমালা মাথায় রেখে বদলী কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *