ঢাকাFriday , 11 January 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

নেত্রী মনোনয়ন দিলে সাতক্ষীরার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে অংশীদার হবো: শাহনওয়াজ পারভীন মিলি

admin ঢাকা
আপডেট: 11 January 2019, 20:07

এস.এম নাহিদ হাসান: অ্যাডভোকেট শাহনওয়াজ পারভীন মিলি। জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহনওয়াজ পারভীন মিলি শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের পাতাখালি গ্রামে ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম আবু নেছার সিদ্দিক।
শাহনওয়াজ পারভীন মিলি তালা উপজেলার খলিষখালির মাগুরা সতীসচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, শ্যামনগর মহসিন কলেজ থেকে এইসএসসি, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ডিগ্রী এবং সাতক্ষীরা ‘ল’ কলেজ থেকে ১৯৯৮ সালে এলএলবি পাশ করেন।
একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি।
এ প্রসঙ্গে তিনি কথা বলেছেন দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরা’র সাথে।
তিনি বলেন, আমি ২০০১ সালে সাতক্ষীরা উকিল বারে যোগদান করি। সাতক্ষীরা উকিল বারে যোগদান করেই আওয়ামী আইনজীবী পরিষদে অন্তভুক্ত হই ও একই বছর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পায়। বর্তমানে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দলকে সংগঠিত করার কাজ করে চলেছি।
শাহনওয়াজ পারভীন মিলি আরও বলেন, আমি ২০১৬ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নির্বাচিত হই। ২০০৯ সালের নির্বাচেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। বর্তমানে জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ২ আসনের (১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা উপজেলা) সদস্য নির্বাচিত হয়ে মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকছি।
তিনি বলেন, জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি হিসেবে বাল্যবিবাহ বন্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছি। এরই ফল হিসেবে ২০১৮ সালে বাল্য বিবাহ বন্ধে জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার এবং মাননীয় স্পীকার মহোদয়ের নিকট থেকে সম্মাননা পেয়েছি। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতার পুরস্কার পেয়েছি। আমি মনে করি নারী উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায় ঝরে পড়া। আর এক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ একটা বড় কারণ। আওয়ামী লীগ একটি বড় রাজনৈতিক দল। এখানে এমপি পদে প্রতিযোগিতা থাকবে। আমার মত অনেকেই মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন। নেত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দিয়ে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দেয়, তাহলে আমি এ বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে বাল্য বিবাহ শূন্যের কোটায় আনবো। তিনি বলেন, নারীরা শিক্ষিত হলে যে কোন প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা করতে পারবে। নারী শিক্ষার হার শতভাগে উন্নীতকরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করবো। সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ মূল্যায়ন করবো। একই সাথে বিবাহিত নারীদের জন্য আয়বর্ধক বিভিন্ন পেশার সৃষ্টি করবো। সাতক্ষীরাতে একটি বৃদ্ধাশ্রম তৈরী করার স্বপ্ন আছে দীর্ঘদিনের। যেহেতু আমি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে আছি। সেহেতু সাধারণ মানুষের সকল সমস্যা খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয় আমার। তাই আমি মনে করি আমাকে যদি নেত্রী সুযোগ দেন তাহলে আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করে সাতক্ষীরার সকল পর্যায়ের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে অংশীদার হবো। আমি সাতক্ষীরাবাসীর নিকট দোয়া প্রার্থী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *