ঢাকাTuesday , 3 July 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সংবাদ সম্মেলনে দাবি: কাটিয়া মসজিদের জমি দখলের নামে প্রকাশিত খবর সত্য নয়

admin
July 3, 2018 6:08 pm
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা শহরের উত্তর কাটিয়া জামে মসজিদের ০.২০ একর জমি জামালউদ্দিন চৌধুরী তার জীবদ্দশায় মসজিদের নামে দান করেন নি। প্রকৃতপক্ষে এই জমি দান করেছেন তার পাঁচ ছেলে। যার দলিল নম্বর ১১১১৮, তারিখ ২৪.১১.৮০। পরবর্তীতে জামালউদ্দিনের ছোট ছেলে সিরাজুল হক চৌধুরী মসজিদ, মক্তব ও মাদ্রাসার উন্নয়নে ০.১৮৭৫ একর জমি দান করেন। এই জমির দলিলের তফসিলে পুকুর পাড় উল্লেখ রয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন উত্তর কাটিয়ার আবদুল হালিম চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজাকার বাকির ঘনিষ্ঠ সহচর বা জামায়াতের সমর্থক কিংবা রোকন বলে তার সম্পর্কে পত্রিকায় যেসব খবর বেরিয়েছে তা সত্য নয়। কারণ বাকির সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক ছিল না বা নেই। সিরাজুল হক চৌধুরীকে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া কিংবা তার অংশের জমি জোর করে দখল করার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। সিরাজুল হক চৌধুরী বিভিন্ন সময়ে জমি বিক্রি করেছেন। আম মোক্তারনামা দলিল একা বখতিয়ারের নামে করেন নি। এই দলিলটি ইব্রাহিম ও বখতিয়ারের নামে করেছেন। সিরাজুল হক সত্য গোপন করে স্থায়ী অস্থায়ী ঠিকানা প্রদান করেছেন উত্তর কাটিয়ার স্থলে দক্ষিণ কাটিয়ার চৌধুরী বাড়ি। তিনি দীর্ঘ দিন আমেরিকার শিকাগো শহরে বসবাস করেন। ঠিকানা গোপন করে তিনি আম মোক্তারনামা দলিল রেজিস্ট্রি করেছেন। আমরা উক্ত আম মোক্তারনামা দলিল বাতিলের জন্য ৯৯/১৭ নম্বর মোকদ্দমা দায়ের করেছি। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। আবু সালেহ আজিজ আহমেদ ও আবু মুছা আজিজ মোস্তফার ছেলেরা কখনও বাকির সহচর ছিলেন না। মওলানা লিয়াকত আলি মসজিদের দরজা বন্ধ করে মারামারি করেননি। তদুপরি জামালউদ্দিন ও তার ছেলেদের সম্পত্তির যে আপোষনামা করা হয়েছে তার দলিল নম্বর ১৯০৭/৮৮। তাতে সিরাজুল হক চৌধুরী তঞ্চকী করে শহরের সম্পত্তি ও বোনদের বেশি দিয়ে অন্য ওয়ারেশদের বঞ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। অথচ এ বিষয় নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আবদুল হালিম চৌধুরীর স্ত্রীর নামে জমি খরিদ করায় নজির আহমেদ ও মুনীর আহমেদের দেওয়া মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১ এপ্রিল একটি পত্রিকায় অবৈধ পোলট্রি খামার বিষয়ক খবর প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে আরও কয়েকটি পত্রিকায় কাটিয়া মসজিদের জমি দখলের নামে খবর প্রকাশ করা হয়। এতে তাদের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরী, আবদুর রহমান সিদ্দিকী, মোহাম্মদ আলি, লিয়াকত আলি, আবদুল হাই চৌধুরী, শওকত আলি প্রমুখ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।